উৎসাহ আর শঙ্কার মধ্যে আগামীকাল শনিবার (৩০ জানুয়ারি) তৃতীয় ধাপে ৬৩ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে।
নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটে অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ ধাপের নির্বাচনি লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। পাশাপাশি মেয়র পদে লড়ছেন বেশকিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীও। এ ধাপে মোট ৩৭ জন জনপ্রতিনিধি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জন মেয়র, ৯ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও ২৫ জন সাধারণ কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ভোট নেয় প্রশাসন, তর্ক অন্যদের নিয়ে
ইসি জানিয়েছে, ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভায় তৃতীয় ধাপে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও একজন মেয়র প্রার্থীর মৃত্যুতে এ নির্বাচন স্থগিত করে চতুর্থ ধাপে স্থানান্তর করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, কুমিল্লার লাকসাম ও বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে একক প্রার্থী থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কাল সকালে ভোটগ্রহণের আগে প্রত্যেক কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনি উপকরণ পাঠাবে ইসি। কমিশনের শেষ মুহূর্তের নির্দেশনায় ভোটগ্রহণ শেষে দ্রুত ফলাফল পাঠাতে বলা হয়েছে। নির্বাচনে মেয়র পদে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রার্থীর মধ্যে। অন্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীও আছেন।
আরও পড়ুন: দেশ উন্নত হওয়ায় ভোটে অনীহা মানুষের
করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে এবার পাঁচ ধাপে পৌরসভা নির্বাচন করছে কমিশন। প্রথম ধাপের তপশিলের ২৪টি পৌরসভায় ইভিএমে ভোট হয় ২৮ ডিসেম্বর। গত ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পৌরসভায় ভোট হয়। আর তৃতীয় ধাপে ৬৩টি পৌরসভায় কাল ৩০ জানুয়ারি ভোট হবে। চতুর্থ ধাপে ৫৭ পৌরসভায় ভোট হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং পঞ্চম ধাপের ৩১ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি।
ইত্তেফাক/এএএম
