শীত মানেই পাহাড়ের ডাকে, অরণ্যের ডাকে, সাগরের ডাকে বেরিয়ে পড়া। এর বাইরেও অনেক দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণপ্রেমিরা পৌঁছে যান। ময়মনসিংহের দরজা প্রকৃতির নগরী ভালুকায় ঢাকা থেকে দু ঘণ্টায় পৌঁছনো যায়। সেখানে আছে মল্লিক বাড়ি সেতু, কিছু দূর গেলেই মল্লিক বাড়ির বিখ্যাত মালাই চা-এর দোকান। যাওয়া যেতে পারে ভালুকা ইউনিয়নের চির সবুজ মেদিলা ও ধলিয়া গ্রামে। এখানে গ্রামবাংলার সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। নির্জনতা পছন্দ হলে উথুরায় যান, সেখানে গিয়ে অনুমতি সাপেক্ষে কুমির খামার, মাল্টার বাগান, ড্রাগন ফলের বাগান দেখা যায়। এই দুটি বিদেশি ফল কিভাবে ভালুকায় উত্পাদিত হচ্ছে তা চোখে পড়বে। অরণ্যপ্রেমিরা যেতে পারেন কাদিগর জাতীয় উদ্যানে। এই নির্জন উদ্যানে মুখপোড়া বানর, রেসাস বানর, কয়েক প্রজাতির সাপ, দেশি ও বিদেশি পাখি দেখা যাবে। দেখা যাবে কোচ উপজাতিদের সংগ্রামী জীবন।
যেতে পারেন দেশের প্রথম সৌদি খেজুর বাগান, পারাগাঁও গ্রামে। শত শত দর্শনার্থী এই খেজুর বাগান দেখতে যান। দেখে আসতে পারেন খিরু নদী। এই খিরু নদীকে নিয়ে চলচ্চিত্রের গান যেমন চিত্রায়িত হয়েছে, তেমনি কবিরা কবিতায় খিরু নদীকে নিয়ে এসেছেন। যদিও নদী অনাব্য হয়ে পড়েছে। নৌকা ভ্রমণ করতে পারেন হারলা বিলে। এই হারলা বিলে কয়েক রঙের শাপলা ফুল ফোটে।
ভালুকার রমণীরা পিঠা তৈরি করতে যথেষ্ট পারদর্শী। ভালুকার শীতের পিঠার সুনাম দেশব্যাপী। এবার এই শীতে সফরসূচিতে ভালুকাকে রাখুন।
সৈয়দ রশিদ আলম
