দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ বাড়াতে সম্মত দুই দেশ

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২১, ২২:২৪

বাংলাদেশ-ভারত এফওসি অনুষ্ঠিত

ইত্তেফাক রিপোর্ট

দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়াতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। গতকাল শুক্রবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত ফরেন অফিস কনসালটেশনস (এফওসি) বৈঠকে দুই পক্ষ কোভিড-১৯ মহামারিতে সহযোগিতা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং ভারতের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রসচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা bZ…Z¡ †`b | এে সময় ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরানসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে কোভিড-১৯ মহামারিতে সহযোগিতা, বাণিজ্য, যোগাযোগ, উন্নয়ন, বিদ্যুত্, জ্বালানি ও পানিসম্পদ, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সহযোগিতার জন্য দুই পক্ষই একে-অপরের প্রশংসা করেছে।

আগামী মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বর্ষপূর্তি উদ্যাপনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়েও আলোচনা করেছে দুই পক্ষ। চলতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫০ বছর এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী যৌথভাবে উদ্যাপনের মাধ্যমে চলমান সমন্বয় আরো জোরদারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছে দুই পক্ষ। এয়ার ট্রাভেল বাবেল ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচল সেবা চালু হওয়ায় দুই পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে লাইনস অব ক্রেডিটের দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর দুই পক্ষ গুরুত্বারোপ করেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। সাক্ষাত্কালে বাংলাদেশে করোনা মহামারিকালে সহযোগিতা ও ২০ লাখ ডোজ টিকা উপহার দেওয়ায় ভারতকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রসচিব।