ভারতের কৃষক আন্দোলনের নেপথ্যে পাকিস্তান

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২১, ১৭:২৩

প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিলে শেষমেশ অনুমতি দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু একই সঙ্গে কৃষক আন্দোলনকে 'ব্যবহার' করার জন্য পাকিস্তান উঠেপড়ে লেগেছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই বহিরাগতদের আগমন নিয়ে সহিংসতা ছড়ানোর ব্যাপারে আশঙ্কা করেছিল ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। শুধুমাত্র কৃষকদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এই অনুমতি দিয়েছিল ভারত সরকার। কৃষক দলগুলো সরকারকে আশ্বাস দিয়েছিল যে সমাবেশটি শান্তিপূর্ণ হবে। তবে তা ঘটেনি।কৃষকরা জানতোনা যে তারা পাকিস্তান গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং তথাকথিত খালিস্তান আন্দোলনের সাথে জড়িতদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বা তাদের হাতের খেলার পুতুল।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে মোদিকে যে বার্তা দিলেন নেতানিয়াহু 

২৬ জানুয়ারি কৃষকরা লাল দুর্গের চারপাশে একত্রিত হলে, ওয়াশিংটন ডিসিতে ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে একটি বিক্ষোভ প্রদর্শন করে খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা।বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছিলেন যে তারা নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভকারী কৃষকদের সমর্থন দিতে একত্রিত হয়েছিল। তাদের মধ্য অনেককেই তথাকথিত ‘খালিস্তান’ পতাকা ধারণ করে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করলো জইশ-উল-হিন্দ

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, গোয়েন্দারা সূত্রে খবর রয়েছে পাকিস্তান থেকে ৩'শরও বেশি টুইটার হ্যান্ডেল খোলা হয়েছিল শুধুমাত্র ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য। জানুয়ারির ১৩ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে ওই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে খবর পাওয়া যায়। পাকিস্তান থেকে যে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, সে বিষয়ে কৃষকদের ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে। দিল্লি পুলিশের বিশেষ কমিশনার দীপক পাঠক বলেন, 'বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য বহু অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। কৃষকরা যেন সতর্ক থাকেন।'

ইত্তেফাক/এএইচপি