সেতুর অভাবে ৩০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২১, ২২:১১

সোনাভরি নদী

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

একটি সেতুর অভাবে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন সীমান্তবর্তী রাজিবপুর উপজেলার চরাঞ্চলের ৩০ গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগে জীবন-যাপন করছে। জীবনের তাগিদে চরবাসীকে শিক্ষা, চিকিত্সা, ব্যবসা-বাণিজ্য, হাটবাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে সোনাভরি নদী। নদীর খাজার ঘাটে একটি সেতুর দাবি এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের। কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলা সদর, কোদালকাটি ও মোহনগঞ্জ তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। উপজেলা সদর থেকে মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে যোগাযোগের সংযোগ সড়ক থাকলেও কোদালকাটি ইউনিয়ন পুরোটাই সোনাভরি নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন।

সরেজমিনে দেখা যায়, কোদালকাটি ইউনিয়নে চরসাজাই, বদরপুর, আনন্দ বাজার, পাখিউড়া, হাতিমারাসহ ছোট-বড় প্রায় ২৫টি এবং রৌমারী উপজেলা যাদুরচর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামসহ প্রায় ৩০টি গ্রাম রয়েছে। রয়েছে ২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুইটি দাখিল মাদ্রাসা, চারটি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা, কয়েকটি হাফিজিয়া মাদ্রাসাসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষক এরশাদুল হক বলেন, আমি নিজেই প্রতিদিন নৌকাযোগে নদী পার হয়ে কর্তিমারী স্কুলে যাই। উপজেলা শহরের অদূরে সোনাভরির একটি পয়েন্টে পারাপারের জন্য রয়েছে একটি খেয়াঘাট যা খাজার ঘাট নামে পরিচিত। সেখানে একটি সেতু নির্মাণ করা হলে এ অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রায় গতি আসবে। খাজার ঘাটে ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে রাজিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো বলেন, ওখানে একটি সেতুর আশু প্রয়োজন। জরুরি ভিত্তিতে সোনাভরি নদীর ওপর খাজার ঘাটে একটি ব্রিজের দাবি জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, খাজার ঘাটে সোনাভরি নদীতে সেতু নির্মাণ করা এ অঞ্চলের মানুষদের অনেক দিনের দাবি। রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নবীরুল ইসলাম বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেতু নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।