গতকাল শনিবার নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে পা রাখলেন আরো ১ হাজার ৪৪৬ জন রোহিঙ্গা। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে করে তাদের ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাত্রা করে জাহাজ। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের দুটি জাহাজ ও চারটি স্পিডবোট সঙ্গে ছিল।
জানা যায়, প্রথম দফায় গত ৪ ডিসেম্বর ১ হাজার ৬৪২ জন, দ্বিতীয় দফায় গত ২৮ ডিসেম্বর ১ হাজার ৮০৫ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পাঠানো হয়েছে। তৃতীয় দফার প্রথম দিনে গত শুক্রবার ভাসানচরে পাঠানো হয় ১ হাজার ৭৭৮ জন রোহিঙ্গাকে। আর দ্বিতীয় দিনে ভাসানচরে গেলেন ১ হাজার ৪৪৬ রোহিঙ্গা।
ভাসানচরে নৌবাহিনীর দায়িত্বরত কমান্ডার মনিরুল হক জানান, ভাসানচর আসার পরপরই প্রথমে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীরা। এরপর তাদেরকে ওয়্যার হাউজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভাসানচরে বসবাসের বিভিন্ন নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা দেন নৌবাহিনীর সদস্যরা। ভাসানচরে দায়িত্বরত এপিবিএন পুলিশের এএসপি রতন দাস গুপ্ত জানান, ভাসানচরে এসে সুন্দর পরিবেশ দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেছে রোহিঙ্গারা।
ভাসানচরে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এতে ১ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করতে পারবেন।
