সরিষাবাড়ীতে বিজয়ী কাউন্সিলরের বাড়িতে হামলা, আহত ১৫

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৪৮

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পৌরসভা নির্বাচনে বিজয়ী কাউন্সিলর আ. হক তরফদারের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে আইরিন আক্তার লাকীকে (৩৬) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাত ৭টার দিকে পৌর এলাকার শিমলা বাজারস্থ তরফদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কালাচান পালকে প্রধান আসামী করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন বিজয়ী কাউন্সিলর আ. হক তরফদার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৩০ জানুয়ারি পৌরসভা নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে আ. হক তরফদারের (ব্ল্যাকবোর্ড) সঙ্গে মুল প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন কালাচাঁন পাল (টেবিল ল্যাম)। এ নির্বাচনের ফলাফলে ৪১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন আ. হক তরফদার। এ পরাজয় মেনে নিতে পারেনি কালাচাঁন পাল ও তার সমর্থকরা। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

একপর্যায় সোমবার রাতে কালাচাঁন পালের সমর্থকরা লাঠিসোটা নিয়ে আ. হক তরফদারের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটার আঘাতে ৬ নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত আইরিন আক্তার লাকীকে প্রথমে সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়া হয়।

পরে তার অবস্থার আরো অবনতি হলে কর্তব্যরত তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই আ. হক তরফদার বাদি হয়ে কালাচান পালকে প্রধান আসামী করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর আ. হক তরফদার জানান, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে কালাচাঁন পালের সমর্থকরা তার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে মহিলাদের ব্যাপক মারধর করে।

এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বীকার করে কালাচাঁন পাল জানান, তিনি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছেন। তবে আ. হক তরফদারের বাড়িঘরে কে বা কারা হামলা চালিয়েছে তা তিনি অবহিত নন বলেই  জানান।

সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রাশেদুল হাসান জানান, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এসআই