মিরসরাইয়ে বাস স্টপেজে মাইক্রোস্ট্যান্ড!

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:১০

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

মিরসরাই পৌর সদরের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রীছাউনি ও বাস স্টপেজ এখন অবৈধ মাইক্রোস্ট্যান্ডের দখলে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাত্রীছাউনির সামনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে কার ও মাইক্রোবাস। তাই বাধ্য হয়ে ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাস ও হিউম্যান হলারগুলো যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে যত্রতত্র। নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ওঠানামা না করায় মিরসরাই সদরের কলেজ রোডের সামনে প্রায়ই সৃষ্টি হয় যানজট। এতে প্রায়ই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।

সরেজমিন মিরসরাই সদরের যাত্রীছাউনিতে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন অব্যবহূত থাকায় যাত্রীছাউনিটির ছাদ নষ্ট হয়ে গেছে। ছাউনিতে বসা তো দূরের কথা, দাঁড়ানোর জায়গাও নেই। ছাউনির ভেতরে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এর সামনেই মাইক্রোস্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে মিরসরাই পৌর সদরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্জন আশিকুর রহমান বলেন, যাত্রীছাউনির সামনে অবৈধ মাইক্রোস্ট্যান্ড থাকতে দেওয়া হবে না। অচিরেই এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাত্রীছাউনিটি দখলমুক্ত হয়ে গেলে গণপরিবহনগুলো নির্দিষ্ট যাত্রীছাউনি ও বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াবে এবং নিরাপদে যাত্রীরা ওঠানামা করবে। এতে দুর্ঘটনা ও যানজট হ্রাস পাবে।

মিরসরাই মাইক্রোস্ট্যান্ডের সভাপতি আমির হোসেন আমির বলেন, ‘মিরসরাই পৌর সদরে কোনো মাইক্রোস্ট্যান্ড নেই। আমরা পৌর মেয়রের মৌখিক অনুমতিতে যাত্রীছাউনির সামনে মাইক্রো রাখি। বর্তমান মেয়র মহোদয় আমাদের জন্য মাইক্রোস্ট্যান্ড করার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থায়ী মাইক্রোস্ট্যান্ড হয়ে গেলে আমরা সেখানেই আমাদের গাড়ি রাখব।’ বারইয়ারহাট-চট্টগ্রাম রুটের যাত্রীবাহী উত্তরা বাস মালিক সমিতির সভাপতি রফিকুজ্জামান বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়ে ব্যস্ততম মহাসড়কে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছি। পৌর সদরের যাত্রীছাউনিটি যদি ব্যবহারের উপযোগী হয় এবং যাত্রীবাহী বাস দাঁড়ানোর সুব্যবস্থা থাকে, তাহলে সব যাত্রীবাহী বাস অবশ্যই নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ওঠানামা করাবে।’ এ বিষয়ে মিরসরাই পৌরসভার মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘আমি কখনো যাত্রীছাউনির স্থানে অবৈধ মাইক্রোস্ট্যান্ডের অনুমতি দিইনি। বরং আমি ঐ যাত্রীছাউনিটি ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছি। মিরসরাই পৌর সদরে মাইক্রোস্ট্যান্ড নির্মাণের জন্য জায়গা দেখা হচ্ছে। জায়গা পেলে দ্রুত সময়ে মাইক্রোস্ট্যান্ড নির্মাণ করব। এতে করে যাত্রীছাউনিটি ব্যবহারের উপযোগী হবে।’