মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আবার নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৪৫

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির ক্ষমতা গ্রহণের পর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে ব্যাপক বিজয় পাওয়ার পর অং সান সু চির দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনে তাকে এবং অন্য নেতাদের আটক করেছে সেনাবাহিনী। খবর বিবিসির

বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, বাহিনীগুলোর উচিত হবে না জনগণের মতামত বা গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করার চেষ্টা করা। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র। মিয়ানমারে গণতন্ত্র শুরু হওয়ার পর প্রায় এক দশক আগে দেশটির ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বাইডেন বলছেন, এটা জরুরিভাবে পর্যালোচনা করে দেখা হবে। বাইডেন বলেন, যেখানেই গণতন্ত্র হামলার মুখে পড়বে, সেখানেই যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়াবে। এই ঘটনায় জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস বলেছেন, সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ দেশটির গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য একটি গুরুতর আঘাত।                ‘মন্ত্রিসভার রদবদল’ বলছে সিনহুয়া

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের স্থিতিশীলতাকে খাটো না করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। চীন আশা প্রকাশ করেছে যে মিয়ানমারের সব পক্ষ সংবিধান, আইনি কাঠামো ও রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে সব পার্থক্য ঘুচিয়ে উঠবে। সোমবার বার্তা সংস্থা সিনহুয়াতে বলা হয়, সেনাবাহিনী নির্বাচিত মন্ত্রীদের পদ পরিবর্তন করছে। ‘অভ্যুত্থান’ শব্দটি এড়িয়ে বলা হয়েছে, দেশটিতে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ রদবদল ঘটছে। কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমস, অজ্ঞাতনামা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বলেছে, জেনারেলদের এই ক্ষমতা দখলকে ‘দেশের অকার্যকর শাসন কাঠামোর সমন্বয়’ বলা যেতে পারে। চীনের সঙ্গে মিয়ানমারের সামারিক বাহিনীর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বরাবর দেশটির সেনাবাহিনীকে সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং।