মোহাম্মদপুরে মদপানের পর ঐ তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:২০

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মদপানের পর ঐ তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন রিমান্ডে থাকা তরুণীর বন্ধু মর্তুজা রায়হান চৌধুরী। মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদপুর হোমস লিমিটেডের ৯ নম্বর বিল্ডিংয়ে নুহাত আলম তাফসিরের ফ্ল্যাটে মদপান করে অসুস্থ অবস্থায় মর্তুজা তাকে ধর্ষণ করেন। অসুস্থ তরুণী বমি করলে, তার জামা-কাপড় ধুয়ে দেন তাফসির। পাঁচ দিনের রিমান্ডের তথ্য দিয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি আব্দুল লতিফ গতকাল জানান, গ্রেফতারকৃত দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তাফসিরের ফ্ল্যাটে ঐ তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। এছাড়া উত্তরার ব্যাম্বু সুট রেস্তোরাঁর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। নিহত মেয়েটির সঙ্গে কারা কারা গিয়েছিল এবং সেখানে কী ঘটেছিল, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যার কাছ থেকে মদ আনা হয়েছিল, তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। নিহতের বান্ধবী নেহাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

এদিকে পুলিশ গতকাল ব্যাম্বু সুট রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিয়েছে। লাইসেন্স না থাকলেও ৩ নম্বর সেক্টরের ঐ রেস্তোরাঁয় নিয়মিত মদের আসর বসত। গত শুক্রবার এখানে বসেই ধানমন্ডির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবের পাঁচ শিক্ষার্থী মদপান করেন। পরে দুই শিক্ষার্থী মারা যান। তাদের মধ্যে এক ছাত্রীর বাবার অভিযোগ, পার্টির পর তার মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি মোহাম্মদপুর থানায় পাঁচ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এর মধ্যে এক জন অজ্ঞাতনামা আসামি। মৃত ঐ শিক্ষার্থীর দুই সহপাঠী মর্তুজা রায়হান চৌধুরী ও  নুহাত আলম তাফসিরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, এর আগেও তারা একাধিকবার মদের আসর বসিয়েছিলেন। ঘটনার দিন রেস্টুরেন্টে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন ঐ তরুণীর বন্ধু নেহা ও তার আরেক ছেলে বন্ধু। ঐ ছেলে বন্ধু বাইরে থেকে মদ কিনে ঐ রেস্টুরেন্টে যান। মদপানের একপর্যায়ে তিন জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে এক বান্ধবী ও আরাফাত চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান।