শিগিগর ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠন থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতারা। তারা দাবি করেন, নেত্রী যখন যাদেরকেই ছাত্রলীগের দায়িত্বে নিয়োজিত করেছেন তারাই নিজেদের স্বার্থে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করেছেন। তারা এসব প্রহসনের অবসান চান বলেও জানান। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আবদুল্লাহ বিন মুন্সি বলেন, সংগঠনের একজন পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে আমরা চাই চলমান অপরাজনীতি বন্ধ হোক। গঠনতন্ত্রকে তোয়াক্কা না করে ব্যক্তি মর্জির ওপর ভিত্তি করে সংগঠন চলতে পারে না। তিনি বলেন, বিতর্কিত তকমা দিয়ে দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে তার প্রতিস্থাপনে কতিপয় বিবাহিত, মাদকাসক্ত, বহিষ্কৃত, বয়সোত্তীর্ণ ও মামলার আসামিদেরকে পদায়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২১ জনকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্তু কেন অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি। এ সময় অব্যাহতিপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক মো. আহসান হাবীবসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
