গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ কারাবন্দি হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমদের বিধি লঙ্ঘন করে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনায় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলারসহ ১১ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া আরো সাত জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসংক্রান্ত চিঠি কারা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ সূত্র জানায়, বরখাস্তকৃতরা হলেন—জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায়, জেলার নূর মোহাম্মদ মৃধা ও ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন। এছাড়া বরখাস্তের তালিকায় ছয় জন কারারক্ষী, একজন সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও সার্জেন্ট ইনস্ট্রাক্টর রয়েছেন।
এ ঘটনায় কারা অধিদপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটি গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল আবরার হোসেন বলেন, ৪৯ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে ১৮ জন কর্মকর্তা ও কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
কাশিমপুর কারাগারে বন্দি হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমদ বিধি লঙ্ঘন করে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটান। এতে কারাগারের দুই কর্মকর্তা সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। গত ৬ জানুয়ারি কারাগারের ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) ক্যামেরায় এ চিত্র ধরা পড়ে। ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসন গত ১২ জানুয়ারি তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। ঐ কমিটিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
