চীনের গুহাগুলোতে থাকা যে বাদুড়ের থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেই গুহাগুলোতে অনুসন্ধান করতে চাচ্ছে হু-এর বিশেষজ্ঞ দল। জানা যায়, করোনভাইরাস ছড়ানোর সঙ্গে সম্পর্কিত জেনেটিক প্রমাণ খুঁজছে ওই বিশেষ দল।
প্রাণীবিদ ও প্রাণী বিশেষজ্ঞ হু-এর অনুসন্ধানী দলের সদস্য পিটার দাসজ্যাক বলেন, করোনাভাইরাস সম্পর্কে নতুন তথ্য পাচ্ছেন । ‘আমাদের উহানের অন্য সব গুহাগুলিও খোঁজা উচিৎ, যেখান থেকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস কোনও পরীক্ষাগারে তৈরি হয়নি।
পিটারের ভাষ্যমতে, করোনার উৎপত্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে নানান অভিযোগ ও পাল্টা-অভিযোগ রয়েছে। বিশেষত, আমেরিকা বহুবার চিনকে এব্যাপারে অভিযুক্ত করেছে। আমেরিকার দাবি, চীন সঠিক সময়ে ভাইরাসের তথ্য দেয়নি। অন্যদিকে চীনের দাবি, করোনাভাইরাস চীন না বরং অন্য কোনো দেশ থেকে ছড়িয়েছে।
পিটারের বক্তব্য, সে জানে না আদৌ চীন এই গুহাগুলি থেকে বাদুড়ের দেহ থেকে স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষা করিয়েছে কিনা, তবে করোনা ভাইরাস ও সার্স ভাইরাসের মধ্যে খুব মিল রয়েছে।
তদন্তকারীদের এখন পর্যন্ত অনুসন্ধানের ফলে একটা সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। হতে পারে উহানে করোনা ভাইরাস চিহ্নিত হওয়ার আগে থেকে চীনে করোনা ভাইরাস ছিল, কিন্তু সে সম্পর্কে কারোর খবর ছিল না। পিটার জানিয়েছে, তদন্তকারীদল এই বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। চীনে কোন ব্যক্তি প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সেটা খুঁজে বের করা সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটা মহামারী ছড়িয়ে পড়ার আগের ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
ইত্তেফাক/এএইচপি
