চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারাতে গিয়ে বসুন্ধরা কিংসে দম বেরিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ৬২ মিনিটে সুফিলের একামাত্র গোলে বসুন্ধরা হারিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীকে।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম আবাহনীর ফুটবলাররা রেফারি সহকারী এবং রেফারিদের পিছু নেন। এটা দেখে কোচ মারুফুল হকও পিছু নিয়ে মাঠে ঢোকেন তার খেলোয়াড়দের ফিরিয়ে আনতে। খেলোয়াড়দের দাবী দুই বার পেনাল্টি হলেও রেফারী জসিম আকতার এড়িয়ে গেছেন। ড্রেসিং রুমের কাছাকাছি হতে আবাহনী গ্যালারি সমর্থকরা চিত্কার করে রেফারিকে গালিগালাজ করছিলেন। চট্টগ্রাম আবাহনীর ফুটবল কর্মকর্তা শাকিল মাহমুদ চৌধুরি, আরমান আজিজসহ অন্যরা ম্যাচ কমিশনারকে বলছিলেন, আপনাদের রেফারি কি করেছে। দুইটা পেনাল্টি দেয়নি। আর আলমের কণ্ঠও যেন নিশ্চুপ। বসুন্ধরা কিংসের মাসুক মিয়া জনি বক্সের ভেতরে মোনায়েম খান রাজুকে ফেলে দেন। পেনাল্টির বাঁশি বাজাননি রেফারি।
ট্যাকটিক্যাল গেম খেলেছে চট্টগ্রাম আবাহনী। তাতেই বসুন্ধরার অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ভাগ্য খারাপ আইভরি কোষ্টের ফুটবলার দিদিয়ের আহত হয়ে মাঠ ছাড়লে আক্রমনে দুর্বল হয়ে চট্টগ্রাম আবাহনী। বসুন্ধরা কিংসের একাধিক খেলোয়াড়ের মধ্যে উগ্রতা দেখা গেছে। রক্ষণ ভাগে বিশ্বনাথ পড়ে গিয়ে উঠে রাকিবকে ধাক্কা মারেন। প্রতিবাদ করে চট্টগ্রাম আবাহনীর খেলোয়াড়রা, রেফারি নীরব ছিলেন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার জনাথন কি কারণে রাগে ক্ষোভে কর্নার ফ্ল্যাগ তুলে ছুড়ে ফেলে দিলেন সেটাও বুঝা গেল না। এমন অনেক কিছুই কাল দৃষ্টিকটু লেগেছে যা কি না ফুটবল শৃঙ্খলার সঙ্গে যায় না। ১৫ খেলায় ১৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরেই থাকল বসুন্ধরা কিংস।
দুই ম্যাচ পর আবাহনীর জয়
রাতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আবাহনী ৪-১ গোলে হারিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাকে। দুই ম্যাচ ড্রয়ের পর আবাহনী জয়ের মুখ দেখল। খুব সহজেই পেয়েছে। আফগান ফুটবলার মাসিহ সাইঘানী ২, সোহেল রানা ১, দিপক ১ গোল করেন। মাঝে মুক্তিযোদ্ধার নিপু গোল করেছিলেন।
আজকের খেলা
সাইফ স্পোর্টিং ও আরামবাগ। ৩টা মুন্সিগঞ্জ। শেখ জামাল ও শেখ রাসেল। ৪টা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম।
