বুড়িগঙ্গায় লঞ্চচালকদের এমন প্রতিযোগিতা প্রায়ই চোখে পড়ে। তাতে ঘটে দুর্ঘনাও। তার পরও থেমে নেই আরোহী ও নিজেদের জানমাল নিয়ে এ মরণখেলা। এ ব্যাপারে সদরঘাট টার্মিনাল নৌ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোরশেদ তালুকদার জানান, যাত্রী ও এলাকাবাসী একাধিক অভিযোগ করেছে। তার ভিত্তিতে নৌ পুলিশ সদরঘাট টার্মিনালে প্রায়ই চালকদের মাইকিং করে সর্তক করে থাকে। তার পরও চালকরা বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না। তিনি জানান, এ ধরনের প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে গত ২৫ জানুয়ারি টার্মিনাল ট্রাফিক কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ লঞ্চমালিক সমিতি, যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যদি লঞ্চ চালকরা সতর্ক না হন তাহলে নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ অভিযুক্ত চালকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
পিরোজপুর জেলার কাউখালী এলাকার বাসিন্দা ও ঢাকা জজকোটের সিনিয়র আইনজীবী জাকির হোসেন বলেন, তিনি প্রায়ই আদালত অবসরে বাড়িতে যান। যাওয়া আসার সময় লঞ্চের এ ধরনের প্রতিযোগিতা দেখে অনেকবার তিনি লঞ্চের মাস্টারদের অনুরোধে জানিয়েও কোনো ফল পাননি।
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, বুড়িগঙ্গাসহ দেশের সব নদী এখন নৌপুলিশের অধীনস্থ। তাই থানা পুলিশের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঐ ধরনের চালকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারছে না।
