যশোরের মনিরামপুরে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী সন্দেহে বোরহানুল কবির নামের এক কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত আটটার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। পুলিশ এঘটনায় আজ একজনকে আটক করেছে।
নিহত বোরহানুল কবির পৌরশহরের মোহনপুর এলাকার ট্রাকচালক আহসানুল কবিরের বড় ছেলে। তিনি মনিরামপুর সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
নিহত বোরহানের বাবা আহসানুল কবির জানান, বোরহান শনিবার সকাল নয়টার দিকে বাড়ি থেকে মনিরামপুর পৌরশহরের একটি কোচিং সেন্টারে পড়ার জন্য যায়। দুপুর ১২ টার দিকে রাজগঞ্জ খালিয়া গ্রামে একটি রাস্তার পাশে দাড়িয়ে ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল সহ কৃষ্ণবাটি গ্রামের নূরইসলামের ছেলে নাইম সহ আরও এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান নাইমের সঙে বোরহানের একটি মোটরসাইকেল সরিয়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। সেখানে বোরহানকে ছিনতাইকারী ভেবে নাইম ও তার সাথে তাকা আর এক যুবক এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এবং ছিনতাইকারী বলে চিৎকার করলে আসেপাশের লোকজন এসে বোরহানকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে তাকে রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সোর্পদ্দ করে।
রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহজাহান আলি জানান, তার মাথায় মারধরের পর ইট দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। খবর পেয়ে বোরহানের অভিভাবকরা তাকে দুপুর দুইটার দিকে মনিরামপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সে মৃত্যুবরন করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদি হয়ে মনিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ইত্তেফাক/এনএ
