‘বাংলাদেশের ১০০টি ছবির সমান আমার ছবির বাজেট :অনন্ত

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:৪৪

বিনোদন প্রতিবেদক

 

এর আগেও জাগো এফ এম এর একটি লাইভে চিত্রনায়ক প্রযোজক অনন্ত জলিল বলেছিলেন শাকিব খানের সাথে তার ছবি করার ইচ্ছে রয়েছে। নিশ্চয়ই আগামীতে একসাথে ছবি করা হবে।

একই ভাবে গত ৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় এক রেস্তোরাঁর সাথে অনন্ত জলিলের দুটি ছবির চুক্তি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অনন্ত বললেন, ‘আমি আর শাকিব একসাথে ছবি করি এটা বাংলাদেশের সকলেই চায়। তাই জয়েন্ট ভেঞ্চারের ছবি হোক না হোক অন্তত আমাদের নিজস্ব প্রযোজনায় আমি ও শাকিব খান একসাথে একটি ছবি করব।’

উল্লেখ্য, ‘দিন দ্যা ডে’ এবং ‘নেত্রী’ এই দুটি ছবির সাথে স্থানীয় এক রেস্তোরাঁয় চুক্তিগড়া নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিকতা হয়।’

এছাড়া ইরানের সাথে বাংলাদেশের প্রথম কোনো যৌথ প্রযোজনার ছবি হিসেবে মুক্তি পাচ্ছে ‘দিন দ্যা ডে’। ছবিটি প্রসঙ্গে অনন্ত জলিল বলেন, ‘এই ছবিটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ছবি। আপনারা সবাই জানেন বিশ্ব চলচ্চিত্রে ইরানের অবস্থান অনেক উচ্চ আসনে। একাধিক অস্কার জেতা এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সাথে যৌথ চুক্তির এই কাজের প্রক্রিয়াটাও অনেক কঠিন। আমাদের সাথে যখন প্রাথমিক কথা হয় এরপর ইরানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে আমার ব্যাপারে তদন্তের জন্য একটি টীম পাঠায়। তারা আমার পোর্টফোলিও ও বিগত দিনের কার্যক্রম দেখে মুগ্ধ হলে তবেই তারা রাজী হন।’

এছাড়া অনন্ত জলিল তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশের ১০০টি ছবির সমান আমার ছবির বাজেট।’

উল্লেখ্য, এই দুটি ছবিকেন্দ্রীক অনুষ্ঠানে অনন্ত জলিলের সাথে ছিলেন চিত্রনায়িকা বর্ষা ও নবাগত চিত্রনায়ক সুমন।

এদিকে অনন্ত জলিল অভিনীত ও প্রযোজিত চলচ্চিত্রটি একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সর্বশেষ পুরো টীম তুরস্কে তাদের কিছু ফাইটিং দৃশ্যসহ টানা কয়েকদিনের কাজ শেষ করে আসেন। তবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি ও সিনেমা হলে সাবলীল দর্শকদের যাতায়াতের সুসময়ের অপেক্ষা করছেন সিনেমাটি রিলিজ দেবার ক্ষেত্রে। একই সাথে ছবিটি সারাবিশ্বের রেকর্ডসংখ্যক সিনেমা হলে মুক্তি পাবে বলে জানান তারা। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ইরানের পরিবেশনা সংস্থা যে কোনো সুবিধাজনক সময়ে ছবিটি মুক্তি দেবে।

অন্যদিকে অনন্ত’র নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘মুনসুন ফিল্মস’ এর ব্যানারে ‘নেত্রী’ ছবিটির কাজও খুব জলদি শুরু হবে। ছবিটি প্রসঙ্গে প্রথম মিডিয়ার সামনে অনন্ত জলিল ঘোষণা করেন ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর একটি চলচ্চিত্রের অনুষ্ঠানে। সেখানে অনন্ত জলিল মৌখিক ভাবে বলেন ইফতেখার আহমেদই ছবিটি নির্মাণ করবেন। তবে তার কোনো লিখিত চুক্তি বা আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। পরবর্তীতে ইফতেখার চৌধুরী হঠাত্ করেই তার ফেসবুকে লেখেন যে ব্যস্ততার কারণে ছবিটি তিনি করতে পারছেন না।

ইফতেখারের এই স্টেটমেন্টের পর অনন্ত জলিল তার ভেরিফায়েড পেজে লিখেন যেহেতু লিখিত কোনো চুক্তি হয়নি। বিষয়টি ছিল একেবারে মৌখিক একটি ব্যাপার। তাই এ নিয়ে এভাবে স্টেটমেন্ট তিনি প্রত্যাশা করেননি নির্মাতার কাছ থেকে।

যাই হোক পরবর্তীতে ইফতেখার চৌধুরী অনন্ত জলিলের প্রযোজনায় সংস্থায় নতুন ছবি হবে কীনা তা হয়ত সময়ই বলে দেবে। তবে নেত্রী ছবিটির বাংলাদেশ ডিরেক্টর হিসেবে থাকছেন অনন্ত নিজেই। পাশাপাশি তুরস্ক ও ভারতের নির্মাতা কাজ করবেন একসাথে এই ছবিতে।

এই আনুষ্ঠানিকতায় দীর্ঘদিনের ঝিমিয়ে পড়া ফিল্ম ইন্ডাষ্ট্রিতে আবারও চাঙ্গা করতে অনন্ত নিয়মিত ছবি প্রযোজনা করুক এটাই সকলের প্রত্যাশা।