বাঘায় গাছে গাছে আমের মুকুল

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৪৮

বাঘা (রাজশাহী) সংবাদদাতা

বাঘা উপজেলার বিভিন্ন আমের বাগানে এখন শোভা পাচ্ছে মুকুল। কোনো গাছ থেকে মুকুল বের হচ্ছে, আবার কোনো গাছে ছোট আমের গুটি ধরা শুরু হয়েছে। ফলে বাগান পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। জেলার বাঘা ও চারঘাট অঞ্চলের কৃষকরা জানান, গত বছর যেসব বাগানে মুকুল হয়নি, সেসব বাগানে এবার পরিপূর্ণ মুকুল বের হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়ার যে অবস্থা তাতে বিগত বছরের তুলনায় এবার আমের মুকুল ভালো হবে। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঘায় আট হাজার ৩৬৮ হেক্টর আম বাগান রয়েছে। সেখানে রয়েছে প্রায় দেড় শতাধিক জাতের আম। সব জাতের আম মিলিয়ে এবার বাঘায় দেড় লাখ টন আম উত্পাদিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাঘার আমোদপুর গ্রামের আমচাষি আলী আকবর জানান, গাছে মুকুল আসার পর থেকে আম সংগ্রহ পর্যন্ত পাঁচ থেকে ছয় বার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়। তাতে হেক্টরে ৩৮ থেকে ৪৫ হাজার টাকার বালাইনাশক লাগে। সে হিসাবে বাঘায় ৮ হাজার ৩৬৮ হেক্টর জমির আমগাছে বছরে প্রায় ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৭২০ টাকার কীটনাশক বা বালাইনাশক ব্যবহার হয়ে থাকে। যার কমতি হবে না এবারও। বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ্ সুলতান বলেন, ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আম চাষ করলে এর উত্পাদন যেমন বাড়বে, তেমনি সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং পরিবহন, রপ্তানিসহ বাজারজাত করলে কৃষকরা ব্যাপকভাবে লাভবান হবেন। গত তিন বছর থেকে বাঘার আম বিদেশে রপ্তানিও হচ্ছে।’