পুলিশকে চাঁদা না দেওয়ায় গুলি করে হত্যার হুমকি

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৩৬

দারোগাসহ পাঁচ  চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা

কেরানীগঞ্জের লেগুনা পরিবহনের মালিক ওলামা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সোলাইমান নোমানী পাঁচটি গাড়ি রাজধানীর তাঁতীবাজার মোড় থেকে কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করে থাকে।  সোলাইমান নোমানী অভিযোগ করেন নয়াবাজার ও তাঁতীবাজার এলাকার পুলিশের সোর্স সালেহ আহম্মদ, ফারুক, শাহীন, রহিম, সিপু ও দারোগা ফরিদ গাড়ি চালানোর লাইন বাবদ ২ লাখ টাকা চাঁদ দাবি করেন। চাঁদা না দিলে গুলি করে হত্যার হুমকি দেন।

দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে গত তিন ফেব্রুয়ারি এ এস আই ফরিদ ও নয়াবাজার ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সার্জেন্ট খায়েরের সহযোগিতায় চাঁদাবাজরা ঢাকা মেট্রো ছ-১১-০৭৬১ লেগুনা গাড়িটি বেগুনবাড়ি সেতুর ঢালে আটক করে চালককে মারপিট করে চার দিনের জমা ২০ হাজার টাকা নিয়ে গাড়িটি শিকল দিয়ে আটকে রাখে। এ ঘটনায় গত চার ফেব্রুয়ারি সোলাইমান নোমানী ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশের এ এস আই ফরিদ ও তার সহযোগী সালেহ আহম্মদসহ পাঁচ চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিচারক আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।

নোমানী আভিযোগ করে বলেন, মামলা দায়ের করার পর গত শুক্রবার সকাল ১১টায় আটককৃত গাড়িটি উদ্ধার করার জন্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গেলে কর্তব্যরত অফিসার আবুল কালাম মামলার বাদীর ওপর চড়াও হন এবং পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করায় মিথ্যা মামলায় বাদীকে আটক করে উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দেন। এ ব্যাপারে মামলার বাদী ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানালে ঐ পুলিশ কর্মকর্তার চাপে শুক্রবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি গাড়িটি উদ্ধার করে নোমানীকে বুঝিয়ে দেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা চাঁদাবাজির ঘটনা অস্বীকার করেন এবং বলেন, আদালতেই বাদীর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে।