সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় নৌকা ও নারিকেল গাছ প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে খলিল নামে এক কর্মী নিহত হয়। আহত হন চার জন। নিহত খলিল পৌরসভার ডুবাইল আটাপাড়া গ্রামের নসিম আলীর পুত্র। খলিল আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এবং নারিকেল গাছ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী কে এম গিয়াসউদ্দীনের কর্মী বলে জানানো হয়। গোপালপুর থানার ওসি মোশারফ হোসেন খবরটি নিশ্চিত করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় কোনাবাড়ী বাজারে নারিকেল গাছ প্রতীকের প্রচার কাজের একটি ইজিবাইক আটক করে নৌকার কর্মীরা। এ নিয়ে বিবাদে নৌকার নির্বাচন অফিস ভাঙচুর হয়। আহত হয় নৌকার কর্মী ও পৌর কর্মচারী মাসুদ হোসেন। এটিকে কেন্দ্র করে মেয়র প্রার্থী কে এম গিয়াস উদ্দীনের পৌর শহরের বাসা ও দোকানপাটে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গিয়াস উদ্দীনকে শহরের বাসায় নৌকা প্রতীকের কর্মীরা অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে তার ডুবাইল গ্রামের কয়েক শ কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে পৌর শহরের দিকে রওনা হয়। পথিমধ্যে পাকুয়া পেট্রোল পাম্প এলাকায় নৌকার কর্মীরা বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। আহত খলিলকে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। খলিল হত্যার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডুবাইল গ্রামের বাসিন্দারা স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজ মল্লিক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
