স্মৃতির পাতায় বন্ধুকে নিয়ে কতই না গল্প

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:৩০

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তার জন্মদিনে আমার প্রাণঢালা অভিনন্দন, প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জীবন খুব বর্ণাঢ্য। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তার সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব। সেটা ছিল ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে।

আমার স্মৃতির পাতায় আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে নিয়ে অনেক কথা ভেসে ওঠে। আমাদের সময়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে স্টাইলিশ ছাত্রনেতা ছিলেন। তার চালচলনসহ সবকিছুতেই সেই ছাপ দেখা যেত। তিনি গাড়িতে করে আসতেন। সেই সময় আর কোনো ছাত্রের গাড়ি ছিল বলে আমার চোখে পড়েনি। মঞ্জু একটি গাড়ি নিজে ড্রাইভ করতেন। তিনি গাড়ি ড্রাইভ করা খুব পছন্দ করেন। রাতে একা কিংবা বন্ধুদের নিয়ে গাড়ি ড্রাইভ করতেন।

তার ছাত্ররাজনীতি জীবন খুব বর্ণাঢ্য। তিনি ফজলুল হক হলের ছাত্র ছিলেন। ধানমন্ডিতে থাকলেও তিনি ফজলুল হক হলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমি ইকবাল হলের ছাত্র ছিলাম এবং সেখানেই থাকতাম। তিনি হলে থাকতেন না, কিন্তু প্রতিদিনই হলে যেতেন। কারণ তিনি ফজলুল হক হলের একাধারে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং এই হলের ছাত্র সংসদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি যখন ফজলুল হক হলের সহসভাপতি, আমি তখন ইকবাল হলের (বর্তমানে সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্র সংসদের সহসভাপতি। তারপর আমি যখন ঢাকসুর ভিপি হই, তখন ঢাকসুর ভিপি হলভিত্তিক হতো। আমার যখন ছাত্রত্ব প্রায় শেষ, তখন এমএসসি করার পর ঢাকসুর ভিপি হওয়ার জন্য আবার লাইব্রেরি সায়েন্সে ভর্তি হই। তখন সেখানে প্রথম সদস্য হতে হয়। তারপর যারা বিভিন্ন হলের সদস্য হয়েছে তাদের মাধ্যমে ঢাকসুর ভিপি নির্বাচন হয়। এখানে আমার ভিপি হওয়ার পেছনে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর একটা বিরাট অবদান ছিল। এজন্য আমি তার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। তিনি শুধু ছাত্ররাজনীতিই করতেন না, সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতি করতেন।

আমার মনে পড়ে, ১৯৬৬ সালের ৭ জুন বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফার পর আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন করি এবং তার আগেও যখন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের আন্দোলন হয়, তখন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তার গাড়িতে চড়ে আমরা চার জন ঘুরতাম। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু গাড়ি ড্রাইভ করতেন, সামনের সিটে গনি ভাই বসতেন আর পেছনে সিরাজ ভাই, রাজ্জাক ভাই ও আমি বসতাম। আমরা নিজে হাতে পোস্টার লিখতাম এবং সেই পোস্টার নিজের হাতে লাগাতাম। তখন আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর গাড়ি স্টার্ট দেওয়া থাকত, মানে গাড়ি বন্ধ হতো না। এর কারণ, আমরা যেন তাড়াতাড়ি সেখান থেকে চলে যেতে পারি। যখন আইয়ুব খান বাংলাদেশে আসবে শুনলাম, তখন আমরা চাইনি সে আসুক। তাই আমরা একটা পোস্টার হাতে লিখেছিলাম। সেটা হলো ‘আইয়ুব গো ব্যাক’ অর্থাত্ আইয়ুব তুমি ফিরে যাও। সেই পোস্টার যখন আমরা ঢাকা বিমানবন্দরে লাগাচ্ছিলাম, তখন হঠাত্ আমাদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ ছুটে এলো। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু দ্রুতবেগে গাড়ি চালিয়ে আমাদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে গেলেন।

আরেক দিন আমার এই চার জনই গাড়িতে করে রোকেয়া হলের সামনে যখন গেলাম, তখন পুলিশ আমাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করল; তখনো আনোয়ার হোসেন মঞ্জু গাড়ি চালিয়ে আমাদের এলিফ্যান্ট রোডে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে গেলেন। তিনি পর্যায়ক্রমে এফএইচ হলের সাধারণ সম্পাদক, এফএইচ হলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত এবং ছাত্রলীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তখন উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও গণ-আন্দোলনের সময়। আমার যদি তারিখ মনে থাকে, খুব সম্ভবত ১৯৬৮ সালের জুন-জুলাইয়ে ইত্তেফাককে বাজেয়াপ্ত করা হয়। কারণ তখন ইত্তেফাক ছিল আওয়ামী লীগের মুখপত্র। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা প্রচারে ইত্তেফাকের ভূমিকা ছিল সীমাহীন। শ্রদ্ধেয় তফজ্জাল হোসেন মানিক মিয়া নিজে লিখতেন। ভারতীয় একজন প্রতিনিধির সঙ্গে ইত্তেফাকে বসে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বৈঠক হয়। বঙ্গবন্ধুর কাছে শুনেছি, ১৯৬২ সালের দিকে একদিন অনেক রাতে তিনি ইত্তেফাকে যান; মানিক ভাই ছিলেন, সেখানে ভারতীয় দূতাবাসের লোকটিকে মানিক ভাই ডাকেন, তিনি সেখানে দেখেন একজন সুদর্শন মানুষ বসে আছেন, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। সেখানে অনেক আলোচনা হয়। বঙ্গবন্ধু নিজেও কিন্তু আগরতলায় গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু আগরতলা যাওয়ার পরে যখন উদ্দেশ্য সফল হলো না তখন তিনি ধানমন্ডি ৩২-এ এসে গ্রেফতার হলেন। এরপর তাকে জেলখানায় নিয়ে যাওয় হয়। মানিক ভাইও তখন কারাগারে। তিনি হঠাত্ বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠের আওয়াজ শুনতে পান। একজন লোক তাকে বলেন, ‘শেখ মুজিবকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।’ মানিক ভাই তখনো জানতেন বঙ্গবন্ধু আগরতলায় গেছেন। তখন তিনি বললেন, প্রশ্নই ওঠে না। পরে দেখা গেল বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার। দেশ স্বাধীনের পেছনে এই পরিবারের অনেক অবদান আছে।

১৯৬৯ সালে রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব অর্থাত্ আগরতলা মামলার বিরুদ্ধে আমরা যখন সংগ্রাম শুরু করি, তখন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন এই অন্দোলনের পুরোভাগে। এবং সেই ১৭ জানুয়ারি আমরা যখন আন্দোলন শুরু করি সেই সময় তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত। ১৮ জানুয়ারি তিনি উপস্থিত, ১৯ জানুয়ারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দোলনেও তিনি ছিলেন। ২০ জানুয়ারি যখন আসাদকে গুলি করে হত্যা করা হয়, সেই মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। ২২ তারিখ কালো ব্যাজ ধারণ, ২৩ তারিখ মশাল মিছিল এবং ২৪ তারিখ বেলা ২টা পর্যন্ত হরতাল। সেই হরতালের মধ্যে যখন মতিউর, রুস্তম, মকবুল, আলমগীর শহিদ হয় সেখানেও কিন্তু আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন। অর্থাত্ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু প্রত্যেকটা আন্দোলনের পুরোভাগে ছিলেন। তারপর আবার সেখান থেকে আমরা বিক্ষুব্ধ জনগণকে ইকবাল হলের সামনে নিয়ে আসি। মতিউরের পরিচয় পাই। লেখা ‘মা আমি মিছিলে যাচ্ছি, যদি না ফিরি মনে করো তোমার ছেলে বাংলা মায়ের জন্য প্রিয় নেতা শেখ মুজিবের জন্য জীবন দিয়ে গেল।’ পরে কারফিউ জারি করা হয়। তার মধ্যেই আমরা মতিউরের লাশ তার মায়ের কাছে পৌঁছে দিই। সুতরাং এই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনের পুরোভাগেও কিন্তু আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন। কারফিউ ভাঙার পর ৯ ফেব্রুয়ারি আমরা পল্টনে জনসভা করি। সেই মঞ্চে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন। আমি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক, আহ্বায়ক ও মুখপাত্র। সভাপতির বক্তব্যে সেখানে যখন আমরা স্লোগান তুলি—শপথ নিলাম শপথ নিলাম, মুজিব তোমায় মুক্ত করব, শপথ নিলাম শপথ নিলাম মাগো তোমায় মুক্ত করব। ২২ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক, ড. শামসুজ্জোহা, আসাদ, মতিউর, রুস্তম, মকবুল, আলমগীরসহ অসখ্য শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করলাম। ২৩ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমরা ১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকে অভ্যর্থনা জানাই। যেখানে সভার সভাপতি ছিলাম আমি। তখন ১০ লক্ষাধিক লোকের অনুমতি নিয়ে শেখ মুজিবকে আমরা ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দিলাম। এভাবে বলেছিলাম—‘যে নেতা জীবনের যৌবন কাটিয়েছেন কারাগারে, ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে মৃত্যুকে অলিঙ্গন করেছেন, সেই প্রিয় নেতাকে বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞচিত্তে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করলাম। সেই সভাতেও আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন।

এখানে আমি শুধু আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর ছাত্রজীবনের কিছু কিছু ঘটনা উল্লেখ করেছি। তিনি খুব গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন এবং তিনি খুব বন্ধুপ্রিয়। তিনি খুব আড্ডা দেওয়া পছন্দ করতেন। এই যে আমাদের শ্রদ্ধেয় ভাবি তাসমিমা হোসেন। আমরা তাকে টিপটিপ ভাবি বলি। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বিয়ে করবেন, তাই মেয়ে খুঁজছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে টিপটিপ ভাবিকে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর খুব পছন্দ হয়। তিনি তার গাড়ি নিয়ে টিপটিপ ভাবির বাড়ি খুঁজে বের করেন। পরে তারা বিবাহবন্ধনে অবদ্ধ হন। তারা এখন অনেক সুখী। তাদের চারটি কন্যাসন্তান।

সব থেকে মজার ব্যাপার হলো—স্বাধীনতার পরে আমি বঙ্গবন্ধুর পলিটিক্যাল সেক্রেটারি হলাম। বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি ফিরে এলেন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম শিল্পমন্ত্রী, তাজউদ্দীন আহমদ অর্থমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী যোগাযোগমন্ত্রী এবং কামারুজ্জামান রিলিফমন্ত্রী। এভাবে তিনি ঠিক করে বললেন সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাবেন। বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করেছিলেন। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার নিলেন এবং জাস্টিস আবু সাইদ রাষ্ট্রপতি হলেন। ১৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু আমাকে তার পলিটিক্যাল সেক্রেটারি করলেন। তারপর আমি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলাম। খুব কাছে থেকে দেখেছি বঙ্গবন্ধু কী পরিমাণ আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে স্নেহ করেন এবং ভালোবাসেন। ’৭৩-এর নির্বাচনের সময় আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে মনোনয়ন দিতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু; কিন্তু আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বিনয়ের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকে না করে তার বড় ভাইয়ের কথা বলেছিলেন। সেই সময় মইনুল হোসেন এমপি হলেন।

মানুষ চেনা যায় সফরে গেলে। ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যখন জাতিসংঘে যান, তখন বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী ১২ জন প্রতিনিধি ছিলাম আমরা। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন তাদের মধ্যে একজন। তো আমাদের অন্য একটা হোটেলে নিয়ে গেল আর বঙ্গবন্ধুকে রাখল খুব দামি হোটেলে। বঙ্গবন্ধু তখন জিগ্যেস করলেন ‘তোফায়েল, মঞ্জু এরা কোথায়? তখন তারা বলেন তাদেরকে অন্য একটা হোটেলে রাখা হয়েছে। তখন বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘না, ওরা আমার কাছাকাছি থাকবে। পরে আমরা এক রুমে ছিলাম।

এর আগে আমরা যখন জাপান যাই, সেই সফরেও বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী ছিলেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, শেখ রেহেনা, শেখ রাসেল, আমি সেই জাপানে একসঙ্গে গল্প করেছি। তো নিউ ওতানা হোটেলে আমরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলাম। সুতরাং আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সঙ্গে অনেক স্মৃতি। তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক ছিলেন। এখনো পত্রিকার মধ্যে ইত্তেফাক খুবই সম্মানিত পত্রিকা।

আমি যখন বঙ্গবন্ধুর পলিটিক্যাল সেক্রেটারি হই মঞ্জু আমার বাসভবন ঠিক করে দেন। আমার পরিবার প্রথম সেই বাড়িতে গিয়ে ওঠে এবং আমার মেয়ে মুন্নি, আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর মেয়ে সিমা—এই দুই জন ছিল খুব ভালো বন্ধু। বাধ্য হয়ে আমরা মধ্যের দেওয়ালটা কেটে দিই যেন তারা দুই জন দুই বাড়িতে যেতে পারে। এরপর যখন তার দ্বিতীয় কন্যাসন্তান হয়, আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর আগে আমি দেখেছি।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর ছিল গাড়ি আর আমার ছিল হোন্ডা। আর পোশাক-আশাকেও আমরা খুব টিপটপ ছিলাম। সেই যে আমাদের বন্ধুত্ব শুরু হলো, আজ অবধি আমরা একে অপরের বন্ধু। আমরা গল্প করি, আলাপ করি ভালো লাগে। আমি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে খুবই সম্মানের চোখে দেখি।

তিনি অনেকবার মন্ত্রী ছিলেন। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন সফল একজন মন্ত্রী। অর্থাত্ যোগ্যতা, ভদ্রতা ও মানুষ হিসেবে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু অতুলনীয়। আমি আমার বন্ধুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।


লেখক: আওয়ামী লীগ নেতা, সংসদ সদস্য; সভাপতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

ইত্তেফাক/বিএএফ