বরিশাল বিভাগসহ বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম লঞ্চ। যাত্রীরা বাস, ট্রেন ভ্রমণের তুলনায় লঞ্চ ভ্রমণে একটু বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। নদীর কলকল ধ্বনিতে পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় গন্তব্যের দিকে যখন ভ্রমণ তরি এগিয়ে চলে—বিষয়টি সত্যিই রোমাঞ্চকর। আরামদায়ক এই ভ্রমণে নানা প্রতিকূলতা বহুসময় ধরে বহমান, তবে মিলছে না এর সমাধান। এর মধ্যে অন্যতম সমস্যা লঞ্চের খাবারের মান। ভ্রমণের সময় দীর্ঘ হওয়ায় যাত্রীদের লঞ্চে বেশিরভাগ সময় খাবার খেতে হয়। খাবার গ্রহণকালে তারা বুঝতে পারে খাবারের নিম্নমানের বিষয়ে। আগের দিনের খাবারের সঙ্গে প্রতিদিনকার খাবার মিশিয়ে স্বাদহীন, অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে যাত্রীদের। এ নিয়ে প্রশ্ন তুললে কেবিনবয়সহ কর্তব্যরতদের দুর্ব্যবহার অবশ্য প্রাপ্য। লঞ্চ ভ্রমণে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়ে মালিকপক্ষকে সচেতন হতে হবে। সেইসঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারিও প্রয়োজন।
মাহমুদুল হাসান ইজাজ, শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
