বিরল প্রজাতির সাপ। দেখতে লালচে উজ্জ্বল কমলা রঙের। মৃদু বিষধর। বৈজ্ঞানিক নাম ওলিগোডন খেরিনসিস (oligodon kheriensis)। রাতের বেলা বিচরণ করতে বেশি পছন্দ করে বলে সাপটিকে নিশাচর বলা হয়। বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, হিমালয়ের পাদদেশ থেকে দক্ষিণে ৫৫ কিলোমিটার আর পূর্ব-পশ্চিমে ৭০ কিলোমিটার এলাকার ভেতরে এই সাপের মূল বিচরণক্ষেত্র। ১৯৩৬ সালে সর্বপ্রথম এই সাপ দেখতে পাওয়া যায় ভারতের উত্তরপ্রদেশে। পুরো পৃথিবীজুড়ে সাপটি মাত্র ২০ থেকে ২২ বারের মতো দেখা গেছে। এর মাঝে নেপালের মহেন্দ্রনগর, চিতোয়ান ন্যাশনাল পার্ক, ভারতের নৈনিতাল, জলপাইগুঁড়ি উল্লেখযোগ্য স্থান।
সাপটি মাটির গভীরে লার্ভা, পিঁপড়ার ডিম, কেঁচো এবং উইপোকার ডিম খেয়ে জীবন ধারণ করে। মাটি খননকালে মুখের সামনের দিকে থাকা রোসট্রাল স্কেল ব্যবহার করে খুব সহজেই মাটি খুঁড়ে মাটির গভীরে চলে যেতে পারে। বিরল প্রজাতির এই সাপ গত ৮ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউনিয়নের কালিয়াগঞ্জ বাজার এলাকায় প্রথমবারের মতো দেখতে পাওয়া গেছে।
নূরে আলম সিদ্দিকী শান্ত
