স্পোর্টস ডেস্ক
পেপ গার্দিওলার বার্সেলোনার পর প্রথম দল হিসেবে মৌসুমে ছয় শিরোপার স্বাদ পেলো বায়ার্ন মিউনিখ। গত বৃহস্পতিবার দোহার এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে ১-০ গোলে টিগ্রেসকে হারিয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ। বেনজামিন পাভারের একমাত্র গোলে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নদের পরাভূত করেছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী বায়ার্নের বিরুদ্ধে টিগ্রেস বেশ ভালোই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। প্রথমার্ধ গোলশূন্য অবস্থাতেই পার করতে সক্ষম হয়েছিল মেক্সিকান দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে পাভারকে দিয়ে রবার্ট লেভান্ডভস্কি গোল করালেও, শুরুতে তাকে অফসাইড দেখানো হয়।
তবে ভিএআরের কল্যাণে পরে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন রেফারি। পাভারের এই গোলই শেষ পর্যন্ত বায়ার্নকে তাদের ষষ্ট শিরোপা বা ‘সেক্সটুপল’ নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট হয়ে দাঁড়ায়। এর আগে বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, জার্মান সুপার কাপ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ইউরোপিয়ান সুপার কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। ফ্লিকের অধীনে ১৫ মাসে ৬টি শিরোপার দখল নিলো বাভারিয়ানরা। অর্থাত্, এই জার্মানের অধীনে প্রতি ১১ ম্যাচে একটি শিরোপা জিতেছে লেভারা। এবং এই ১৫ মাসে পরাজয়ের (৫) চেয়ে ট্রফি (৬) বেশি দেখেছে তারা।
ফ্লিক এবং তার দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এর আগে ‘সেক্সটুপল’ জেতা একমাত্র ম্যানেজার পেপ গার্দিওলা। এক ভিডিও বার্তায় বায়ার্নকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গার্দিওলা রসিকতা করে বলেন, ‘আমি হ্যান্সিকে শুধু বলতে চাই, তোমরা কিন্তু দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা ছয় শিরোপা জিতেছ। এর আগে জিতেছিল বার্সেলোনা (২০০৯ সালে, গার্দিওলার অধীনেই)। তো, চাইলে এখন আমি মেসি এবং কোং-কে ফোন করতে জানাতে পারি এবং এরপর আমরা তোমাদের সঙ্গে সপ্তম শিরোপার জন্য মাঠে নামতে পারি। আমাকে বল কখন ও কোথায়।’ গার্দিওলা নিজেও বায়ার্ন মিউনিখের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছেন ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত।
