চাকরির প্রলোভনে যশোরে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যাচেষ্টা

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২৩:৪৭

যশোরে চাকরির প্রতিশ্রুতিতে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে তিন যুবক। তবে পুলিশ কাউকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। অন্যদিকে নাটোরের বাগাতিপাড়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যশোর অফিস ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।  

যশোর অফিস : যশোরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তিন যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা                হয়েছে। ধর্ষণের শিকার তরুণীর বাড়ি যশোরের অভয়নগরে।

হাসপাতালে ভর্তির পর ঐ তরুণী জানান, তার পূর্বপরিচিত খুলনা ডুমুরিয়া এলাকার মানিক চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে শুক্রবার বিকালে তাকে বাসে করে যশোর শহরে নিয়ে আসে। যশোর টার্মিনাল এলাকায় পৌঁছালে রিয়াজুল ও আনোয়ার নামে আরো দুজনকে মানিক সঙ্গে নেয়। হাশিমপুর গ্যাসফিল্ডে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এই তিন জন তাকে ইজিবাইকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে রাতে বাহাদুরপুর এলাকায় নিয়ে যায়। বাহাদুরপুর বাঁশতলা আবাসিক এলাকায় প্রাচীরঘেরা একটি স্থানে নিয়ে ঐ তিন জন তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় চিত্কার দিলে তারা তাকে হত্যার চেষ্টা করে। এতে ঐ তরুণী অচেতন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে ঐ তিন জন পালিয়ে যায়। পরে জ্ঞান ফিরলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর হাসপাতালে ভর্তি করে।  যশোর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিত্সকরা জানান, রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত তাকে গাইনি অপারেশন থিয়েটারে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

বাগাতিপাড়া (নাটোর) : বাগাতিপাড়ায় দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ। ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি রবিউল ইসলামকে (৩০) গ্রেফতারের পর গতকাল শনিবার দুপুরে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার জামনগর বাজারে একটি দোকানে কাজের জন্য গেলে দোকানের মালিক রবিউল দ্বিতীয় তলার গোডাউনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এসময় দোকানের মধ্যে আগে থেকেই লুকিয়ে ছিলেন জামনগর ষোষপাড়া গ্রামের চাহার উদ্দিনের ছেলে বজলু (৩০) এবং অজ্ঞাতনামা আরো একজন।

শুক্রবার বাগাতিপাড়া মডেল থানায় তিন জনকে আসামি করে মামলা করেন ঐ গৃহবধূ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আবু সাদাত বলেন, মামলা গ্রহণ করে প্রধান আসামি রবিউলকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।