চীনের শীর্ষ জীব বিজ্ঞানী পেই গ্যাং। চীনের একাডেমি অব সায়েন্সেস রিসার্চ এথিকস কমিটির চেয়ারম্যান পেই গবেষণা করেছেন কিভাবে কোষগুলো নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে। কিন্তু ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে গবেষণায় জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে ।
পেই-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন ক্যাপিটাল মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট রাও ইয়ে । অভিযোগ ওঠে যে জালিয়াতি করে গবেষণাটি করেছে পেই । এই অভিযোগের পর রাও-এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন পেই। তবে এই মামলার রায় এখন বের হয়নি।
২০১৯ সালে চীন গবেষণাখাতে ৩২২ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। যা বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের পর সর্বাধিক। তবে চীনের অনেক বিজ্ঞানীদের গবেষণা জালিয়াতির কারণে তাদের এই গবেষণা সংকটে পড়েছে। এ সব গবেষণার কাজের দুর্নাম হচ্ছে কারণ তাদের ২০১৬ সালের জার্নাল ন্যাচারের একটি জরিপে বলা হয়, ৭০ শতাংশের বেশি চীনের গবেষকরা বলেছেন যে তারা অন্য বিজ্ঞানীর পরীক্ষার ফলাফল পুনরায় বর্ণনা করতে পারবে না।
ভার্জিনিয়ার সেন্টার ফর ওপেন সায়েন্স-এর কর্মকর্তা টিম এরিংটন বলেন, সরঞ্জাম ও উপকরণ এক পরীক্ষাগার থেকে অন্য পরীক্ষাগারে পরিবর্তিত হতে পারে এবং কিছু পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান প্রয়োজন।
এরিংটন বলেন, গবেষণায় কেন জালিয়াতি কেন হয় এটি বের করা জরুরি একটি বিষয়।
ইত্তেফাক/এআর
