করোনার টিকা
স্পোর্টস রিপোর্টার
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের কারণে করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে পারেননি জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তবে বিসিবি থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়ার আগেই করোনার টিকা দেওয়া হবে ক্রিকেটারদের। ইতিমধ্যে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য টিকার ব্যবস্থা করেছে বিসিবি। প্রথম দফায় নিউজিল্যান্ডগামী ক্রিকেটাররা টিকা পাবেন। টিকা নিতে নাম জমা দিয়েছেন প্রায় ২৫ ক্রিকেটার।
আগামীকাল পর্যন্ত ক্রিকেটারদের নাম নেওয়া হবে। তারপর ১৮, ১৯ ফেব্রুয়ারি টিকা পাবেন তারা। গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান চিকিত্সক দেবাশীষ চৌধুরী। ২৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল।
গতকাল দেবাশীষ চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমরা আগামীকাল (আজ) থেকে ভ্যাক্সিনেশন শুরুর পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু কিছু কিছু প্লেয়ার ঢাকার বাইরে থাকায় তা পিছিয়ে গেছে। নতুন পরিকল্পনা হচ্ছে ১৮, ১৯ তারিখের দিকে টিকা দেওয়া হবে।’
টিকা নিতে ভালোই আগ্রহ দেখা গেছে ক্রিকেটারদের মাঝে। বিসিবির প্রধান চিকিত্সক বলেছেন, ‘এই পর্যন্ত অনেকেই নাম দিয়েছে। অনেকে এখনো দিচ্ছে। এটা শুধু নিউজিল্যান্ডগামী দলের জন্য। আমরা ১৭ তারিখ পর্যন্ত দেখব কয় জন নাম দেয়। তবে সাড়া খারাপ না। আমি যত দূর জেনেছি ২০-২৫ জন নাম জমা দিয়েছে। তবে সংখ্যাটা আরো বাড়তে পারে।’ এদিকে গতকাল করোনার টিকা নিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এদিন বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তাও টিকা নিয়েছেন। টিকা নেওয়ার পর বোর্ড সভাপতি বলেছেন, করোনার টিকা ক্রিকেটারদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটারদের কাউকে টিকা নিতে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। যে খুশি নিতে পারে।’ ঢাকা টেস্টে হারের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন পাপন। গতকাল অবশ্য টেস্টে উন্নতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করার কথা বলেছেন তিনি।
বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘আমাদের বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। আমাদের উন্নতি করতে হবে, এ উপলব্ধিটা আসতে হবে। মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। স্পিন ছাড়া খেলতে পারব না—এ চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কৌশল এবং পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আনতে হবে।’ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ দল।
