মাদারীপুরে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা ভাইরাসের টিকা নেওয়া মানুষের সংখ্যা। জেলা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিনই টিকা নিচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত টিকা নিতে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সংসদ মেডিকেল সেন্টারে করোনার টিকা নিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী।
ভ্যাকসিন নেওয়ার পর চিফ হুইপ বলেন, ভ্যাকসিনটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। কোনো গুজবে কান না দিয়ে জীবন রক্ষার্থে সবাইকে এই ভ্যাকসিন গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও করোনার টিকা নিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাদারীপুর-৩ (কালকিনি) আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপ। গণটিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই টিকা নেন চিফ হুইপ।
মাদারীপুর জেলার সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় জেলায় করোনা ভাইরাসের টিকার দেওয়ার কার্যক্রম। প্রথম দিন জেলা সদর হাসপাতালে ৫৫ জন, রাজৈর উপজেলায় ১০, কালকিনি ১০ ও শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৩ জন করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে প্রতিদিনই সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই টিকা গ্রহণ করছেন। গড়ে এখন প্রতিদিন ৭০০ মানুষ টিকা নিচ্ছেন।
সরকারি ছুটির দিন ও শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮ট থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশন ও ন্যাশনাল আইডি কার্ড নিয়ে বিনামূল্যে এই টিকা গ্রহণ করতে পারছেন সাধারণ মানুষ। জেলায় ৩৬ হাজার করোনা ভাইরাসের টিকা এসেছে। ইতোমধ্যে জেলায় সাড়ে চার হাজার মানুষ এই টিকা নিয়েছেন। প্রতিদিনই বাড়ছে টিকা নেওয়া মানুষের সংখ্যা।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
