কুমিল্লায় নারায়ণ চন্দ্র পাল নামের এক স্টুডিও ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফিরোজ সরকার নামের এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক নাছরিন জাহান এ রায় দেন। আসামি ফিরোজ সরকার জেলার দেবিদ্বার উপজেলার বাউরা গ্রামের মৃত শব্দর আলী সরকারের ছেলে। নিহত নারায়ণ চন্দ্র পাল একই উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত সুরেশ চন্দ্র পালের ছেলে।
মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর বাজারে ২০১৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পূর্ব বিরোধের জের ধরে বাজারের সুমা ডিজিটাল স্টুডিওর মালিক নারায়ণ চন্দ্র পালকে পরিকল্পিতভাবে রাতে তার স্টুডিওর ভেতরে হাত-পা বেঁধে ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়। পরদিন সকালে দেবিদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নারায়ণ চন্দ্র পালের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই দুলাল চন্দ্র পাল বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্তকালে পুলিশ ওই উপজেলার বাউরা গ্রামের ফিরোজ সরকারকে গ্রেফতার করে। ২০১৪ সালের ১০ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দেবিদ্বার থানার এসআই রোকেয়া খান ফিরোজ সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। মঙ্গলবার এ মামলার রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজ সরকার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম জানান, নারায়ণ চন্দ্র পাল হত্যা মামলায় ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয় পক্ষের শুনানির পর আদালত এ মামলার একমাত্র আসামি ফিরোজ সরকারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়দেব চন্দ্র সাহা ও অ্যাডভোকেট মো. ইলিয়াছ মিন্টু।
ইত্তেফাক/এমএএম
