ভাসানচরে গেল আরো ১০১১ জন রোহিঙ্গা

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৩১

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে কক্সাবাজারে আশ্রয় নেওয়া আরো ১ হাজার ১১ জন রোহিঙ্গা নোয়াখালীর ভাসানচরে  পৌঁছেছেন। এ নিয়ে ভাসানচরে মোট রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়াল ১০ হাজার ১৬। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর পতেঙ্গা বোট ক্লাব-সংলগ্ন জেটি থেকে নানা বয়সি ১ হাজার ১১ রোহিঙ্গা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজে রওনা দেয়। গত সোমবার রাতে তাদের কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্প থেকে চট্টগ্রামে আনা হয়। নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বিএএফ শাহীন কলেজ মাঠের অস্থায়ী ক্যাম্পে রাত যাপনের পর গতকাল সকালে তাদের জাহাজে তোলা হয়। দুপুর আড়াইটায় তারা হাতিয়ার ভাসানচরে পৌঁছায়। এ যাত্রায় ভাসানচরে গেলেন ২৮৮ জন নারী, ২৩৭ জন পুরুষ এবং ৪৮৬ জন শিশুসহ ১ হাজার ১১ জন রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গাদের আনুষ্ঠানিক ভাসানচরে আসার চতুর্থ ধাপের দ্বিতীয় অংশ এটি। এর আগে চতুর্থ ধাপের প্রথম অংশে সোমবার ২ হাজার ১০ জন রোহিঙ্গা ভাসানচরে পৌঁছায়। ভাসানচর থানার ওসি মো. মাহে আলম জানান, নিয়মানুযায়ী গতকাল মঙ্গলাবার আসা রোহিঙ্গাদের প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ওয়্যার হাউজে। সেখানে তাদের বসবাসের বিভিন্ন নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা দেন নৌবাহিনীর সদস্যরা।

নৌবাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোজাম্মেল হক জানান, পর্যায়ক্রমে আরো ৯০ হাজার  রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হবে। 

১৩ হাজার একর আয়তনের ভাসানচরে ১২০টি অত্যাধুনিক পরিবেশবান্ধব গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করেছে  নৌবাহিনী। রোহিঙ্গাদের জন্য বাসস্থান ছাড়াও বেসামরিক প্রশাসনের প্রশাসনিক ও আবাসিক ভবন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভবন, ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চিকিত্সালয়, শিশুদের খেলার মাঠ ও বিনোদন স্পট গড়ে তোলা হয়েছে ভাসানচরে।