ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পারাপার

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৪৭

নিয়মিতই ঘটছে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় কিংবা তার নিচে কাটা পড়ে মৃত্যু ও পঙ্গুত্ববরণের ঘটনা। প্রতি বছর সহস্রাধিক মানুষ ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায়। সাধারণত সড়ক দুর্ঘটনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে যানবাহনের ত্রুটি ও অতিরিক্ত গতি এবং চালকদের অদক্ষতাকে দায়ী করা হলেও ট্রেনের নিচে কাটা পড়া বা ধাক্কার দুর্ঘটনার  ক্ষেত্রে পুরোটা দায় অসচেতন ও অতি উত্সাহী পথচারীদের। আইন অনুযায়ী, রেললাইনের দুই পাশে ২০ ফুটের মধ্যে নির্দিষ্ট লোক ছাড়া অন্যান্যের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্ধ রেলগেটের ভেতরে পথচারী বা যানবাহনের প্রবেশ নিষিদ্ধ তো বটেই। অসচেতন লোকজন ট্রেন আসার শব্দ শোনার পরও রেললাইন পার হওয়ার প্রস্তুতি নেয়। অনেকক্ষেত্রে ট্রেন আসছে দেখেও ঝুঁকি নিয়ে লাইন পার হতে দেখা যায়। আবার অতি উত্সাহীরা রেললাইনের ওপরে বা ঠিক পাশেই দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার দুঃসাহসিক কাজ করে। অনেকেই লাইনের পাশে দলবেঁধে গল্পগুজবে মগ্ন থাকে। মনোযোগের ন্যূনতম ঘাটতি কিংবা সময়ের হিসাবের সামান্যতম ত্রুটিই মূল্যবান প্রাণ হারানোর উপলক্ষ্য হয়ে যায়। কেবল আইনের কঠোর প্রয়োগে এমন কাজ থেকে বিরত রাখতে যথেষ্ট নয়। মানুষের সচেতনতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার চর্চা নিশ্চিত হলেই বন্ধ হবে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু বা পঙ্গুত্ববরণের মতো মর্মান্তিক ঘটনা।

আবু ফারুক, বনরুপা পাড়া, বান্দরবান