বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নির্যাতনের রায়হান আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যাহারকৃত ঐ ফাঁড়ির এএসআই আশেক এলাহীর জামিন আবার নামঞ্জুর হয়েছে।
আশেক এর আইনজীবী বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুর রহিমের আদালতে জামিনের প্রার্থনা করলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট নওশাদ আহমদ চৌধুরী জামিনের বিরোধিতা করে আদালতকে বলেন, ‘রায়হানকে মাত্র ১০ হাজার টাকার জন্য খুন করা হয়। তার নখ উপড়ে ফেলা হয়। তাই, এ মামলার আসামির জামিন হতে পারে না।রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত এএসআই আশেকের জামিন নামঞ্জুর করেন।
গত ২৯ অক্টোবর পিবিআই এসএমপি পুলিশ লাইন্সে হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে।
নগরীর আখালিয়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে গত বছরের ১১ অক্টোবর রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে আসে পুলিশ। রাত ৩টা ৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে স্বাভাবিক অবস্থায় রায়হানকে ফাঁড়িতে ধরে আনে পুলিশ। সকাল ৬টা ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে রায়হানকে ফাঁড়ি থেকে বের করা হয়। ৬টা ৪০ মিনিটে ওসমানী হাসপাতালে নেয়া হয় এবং ৭টা ৫০ মিনিটে মারা যান রায়হান।
ঐ দিনই ময়না তদন্ত শেষে তার লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় পর ওই ফাঁড়ির ইনচার্জসহ এস আই আকবরসহ ৪ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।
আলোচিত এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রধান অভিযুক্ত ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ ৬জন পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
আকবর ও এএসআই হাসান ছাড়া অন্য চারজন হলেন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল হারুনুর রশীদ, কনস্টেবল তৌওহিদ মিয়া ও কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস।
ইত্তেফাক/এমএএম
