‘বে’ এলাকায় মাইক্রোস্ট্যান্ড

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৪৪

কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় স্বল্প বিরতির জন্য নির্ধারিত স্থান বা ‘বে’-তে  মাইক্রোস্ট্যান্ড গড়ে  তোলা হয়েছে। এজন্য যানবাহনের যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়কের ওপর গাড়ি থামিয়ে ওঠানামা করতে হচ্ছে প্রতিদিন। ঢাকা-চট্টগ্রাম ছাড়াও নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর থেকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের মূল প্রবেশপথও এখানে। চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে চলাচলকারী যানবাহন ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় এসে দিক পরিবর্তন করে। এখানে রাস্তা পারাপারে ফুটওভারপাস ব্যবহারে যেমন পথচারীদের অনীহা, তেমনি সার্বক্ষণিক ট্রাফিক বা হাইওয়ে পুলিশের অনুপস্থিতির সুযোগে তিন রাস্তার মোড়ে এসে প্রতিযোগিতা শুরু করে দেয় যানবাহন-চালকরা। ফলে দিনরাত এখানে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। আর এই মোড়েই মহাসড়কের চার লেনের ঢাকা-চট্টগ্রামগামী দু অংশে থাকা ‘বে’-তে অলিখিত মাইক্রোস্ট্যান্ড গড়ে তোলায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, কাপ্তাই, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটমুখী অংশের বিভিন্ন গন্তব্যের শত শত গাড়ি নির্দিষ্ট ‘বে’ ব্যবহার করতে পারছে না। ফলে দূর বা স্বল্প পাল্লার যাত্রীবাহী বাসগুলো সড়কের ওপরই থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে দ্রুতগতির যানবাহন-চালকরা দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে গাড়ির গতি কমাতে বাধ্য হওয়ায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। এ অবস্থায়, ময়নামতি সেনানিবাস এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রামগামী অংশের ‘বে’ উন্মুক্ত রেখে স্বল্প বিরতি দেওয়া গাড়িগুলোর যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে ‘বে’ এলাকার মাইক্রোস্ট্যান্ড দুটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক