তারাগঞ্জ উপজেলায় বালুভর্তি ১০ চাকার ভারী ড্রাম-ট্রাক চলাচলের কারণে ব্যাপকভাবে পাকা ও কাঁচা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। তারাগঞ্জের আখতারুল, মোজহারুল ইসলাম, আবু তালেব এবং মাজাপাড়ার বাদল রানা, আশরাফুল ইসলাম জানান, ১০ চাকার এই ড্রাম ট্রাকগুলো বালু অথবা মাটি নিয়ে দিন-রাত দাপটের সঙ্গে চলাচল করছে। ট্রাকগুলো সড়ক দখল করে যাতায়াত করছে। এতে প্রতিদিন ছোট-খাটো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া কাঁচা সড়কে চলার কারণে এলাকাগুলো ধুলায় পরিণত হচ্ছে। এ ব্যাপারে কয়েক জন ব্যবসায়ীসহ সচেতন মহল বিশেষ করে দিনের বেলায় ব্যস্ততম সড়কে ভারী ট্রাক বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
পরিবহন শ্রমিক মেরাজুল, রাজ্জাকুল জানান, ১০ চাকার এই ট্রাকের ওজন প্রায় ১০ টন এবং বালুসহ ওজন ৫০ থেকে ৬০ টন। তারাগঞ্জ উপজেলার ১০ চাকার বালু ভর্তি ভারী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কাঁচা-পাকা সড়ক।
তারাগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত শুকুর আলী বলেন, দিনের বেলায় ব্যস্ততম সড়ক দিয়ে বালুবাহী ট্রাক বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়ে এলাকাবাসীর একটি অভিযোগ পেয়েছি। আপাতত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) না থাকায় আমি একাই এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলজিইডির তারাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আহমেদ হায়দার জামান বলেন, অতিরিক্ত ওজনের বালু ও মাটিভর্তি ট্রাক চলাচল করলে কাঁচা-পাকা সড়ক বা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন কাঁচা-পাকা সড়কে অতিরিক্ত ওজনের ট্রাক চলাচলের বিষয়টি আমি শুনেছি। কিন্তু এটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। প্রকৌশল বিভাগ সংক্রান্ত সহযোগিতা চাইলে আমরা সহযোগিতা করতে পারি। তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ভারী ট্রাক বন্ধে এর আগেও পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। সড়কে বালুসহ ভারী যান চলাচল বন্ধে আবারও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
