পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়ার আগেই করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। গতকাল রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে টিকা নিয়েছেন সৌম্য সরকার, তামিম ইকবাল, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখরা। তামিম ও সৌম্যর স্ত্রী এদিন তাদের সঙ্গে টিকা নিয়েছেন।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস, জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, বোলিং কোচ ওটিস গিবসন, ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক, ব্যাটিং কোচ জন লুইস, ফিজিও জুলিয়ান ক্যালেফাতো, ট্রেনার নিক লি টিকা নিয়েছেন।
সবার আগে টিকা নিয়েছেন সৌম্য। এতদিন সুরক্ষা ডট কম ওয়েবসাইটে টিকা গ্রহীতাদের নিবন্ধন করতে হতো। গতকাল এ বাঁহাতি ওপেনারকে দিয়ে সুরক্ষা অ্যাপও যাত্রা করেছে। এখন থেকে মোবাইল অ্যাপ থেকেই নিবন্ধন করতে পারবেন সবাই।
টিকা নিয়ে তামিম সাংবাদিকদের বলেছেন, সার্বিকভাবে পুরো কার্যক্রমে তার অভিজ্ঞতা দারুণ। টিকা প্রদান কার্যক্রমে থাকা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেশের আপামর সাধারণ মানুষের মতো কিছুটা ভয়ে ছিলেন এ বাঁহাতি ওপেনার। তবে গতকাল এসব জড়তা কেটে গেছে তার। হাসপাতাল ছাড়ার আগে তামিম বলেছেন, ‘জিনিসটা তো আসলে এখন প্রয়োজনীয় হয়ে গেছে এটা নেওয়ার। কারণ আপনার নিজের শরীরের জন্য। এটা অনেক উত্সাহিত করার মতো একটা জিনিস। যারা এটার মধ্যে সম্পৃক্ত আছেন তাদেরকে আমি আমার তরফ থেকে স্যালুট দেব। এটি দারুণ একটি অভিজ্ঞতা।’ এ ইতিবাচক বিষয়টা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। টিকা কার্যক্রমে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট ধারণা রয়েছে তামিমের। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আমরা যতটুকু জানি ১২ নম্বরে আছি ভ্যাক্সিনেশনে। এই মাসের শেষে এমনও হতে পারে যে, সেরা চার বা পাঁচের ভেতরে এসে যাব। এটা অনেক বিশাল একটা অর্জন আমি মনে করি।’ টিকা নিয়ে মনে ভয় কাজ করা প্রসঙ্গে অভিজ্ঞ এ ক্রিকেটার বলেছেন, ‘দেখেন ভয় অবশ্যই ছিল, এটা অস্বীকার করব না। সবার মনেই থাকতে পারে। আমরা ভাগ্যবান যে, আমরা এই জিনিসটা পাচ্ছি।’
