বরিশালে বিএনপির সমাবেশে হট্টগোল

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইলেন নেতারা

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২৩:০০

নির্দলীয় নিরপেক্ষা সরকারের অধীন দেশব্যাপী নির্বাচনের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিএনপি। দুপুর আড়াইটায় নগরীর জিলা স্কুল মাঠে বরিশাল মহানগর বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। এসময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দেশ স্বাধীন হলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না মানুষ। তিনি রুখে দাঁড়ানোর জন্য উপস্থিত বিএনপি কর্মীদের রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানান।  

সমাবেশে বক্তৃতাকালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবুিবর রহমান বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে আন্দোলনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এছাড়া প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন বক্তৃতাকালে বলেন, ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাত ধরে ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। আমরা পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবি জানাই এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। এছাড়া বক্তব্য রাখেন তাবিথ আউয়াল, ডা. শাহাদাত হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিলকিস জাহান শিরিন, মেজবা উদ্দিন ফরহাদ, এবায়দুল হক চান, জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা কমিটির সভাপতি, সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় বিএনপির কেন্দ্রীয়                  যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য আরো একবার জেগে উঠতে হবে। এ সমাবেশ দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জনতার সামনে জনতার সঙ্গে দাঁড়াব। জনগণকে তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। 

হট্টগোল, ধাওয়া, চেয়ার ছোড়াছুড়ি

নির্দলীয় নিরপেক্ষা সরকারের অধীন দেশব্যাপী নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালে কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনেই বিবাদে জড়ায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। সমাবেশের একপর্যায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন বক্তৃতাকালে মহানগর ছাত্রদল সভাপতি রেজাউল করিম রনি ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুনের কর্মীরা হট্টগোল শুরু করে। এসময় সমাবেশ স্থলেই ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার একপর্যায়ে শুরু হয় চেয়ার ছোড়াছুড়ি। এতে মুহূর্তের মধ্যেই সমাবেশ স্থলকে ঘিরে আতঙ্ক বিরাজ করে। মঞ্চ থেকে ইশরাক হোসেন বার বার শান্ত হতে মাইকে ঘোষণা দিলেও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা শান্ত না হওয়ায় কয়েক মিনিট বক্তব্য বন্ধ রাখা হয়।