শিগিগরই ১৮ বছরের ওপরে অটিজমে আক্রান্ত বিশেষ ব্যক্তিদের কোভিট-১৯-এর টিকার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু নিউরোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও ইপনার উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. গোপেন কুমার কুণ্ডু।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম-(ইপনা)’ আয়োজিত ‘বিশেষ শিশুদের অভিভাবক ও কেয়ারগিভারদের নিয়ে’ ইপনার সেমিনার কক্ষে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে ‘করোনা মহামারীকালীন বিশেষ শিশুদের নিয়ে সঞ্চিত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং অনলাইনে তাদের স্কুল কার্যক্রমের’ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। ডা. গোপেন কুমার কুণ্ডু বলেন, বিশেষ শিশুদের সেবার পরিসর বাড়াতে প্রতিবছর পাঁচটি করে শিশু বিকাশ কেন্দ্র সারা দেশে করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, ইপনা একটা মডেল স্কুল। ইপনার সুবিধাগুলো নিয়েই শিশু বিকাশ কেন্দ্রগুলোতেই চিকিত্সক ও সেবার পরিসর বাড়িয়ে এই কেন্দ্র করার পরিকল্পনা আছে।
তিনি বলেন, গত একটা বছর ধরে আমাদের বিশেষ শিশুরা গৃহে বন্দি আছে। এই ধরনের শিশুরা একটা রুটিন মেনে চলে, ঐ রুটিনের বাইরে গেলে, তাদের আচরণ ও মানসিক আচরণের পরিবর্তন দেখা দেয়। অনেক মা আমাদের বলেছেন যে, তাদের সন্তান অধিক চঞ্চল হয়ে পড়েছে। তাদের অনেক ক্ষেত্রে ডাক্তারের কাছে নিতে হচ্ছে। কিন্তু অনলাইনে ক্লাস করার ফলে এখন তারা নরমাল রুটিনের মধ্যেই আছে। শিশুরা ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করেই শিক্ষকদের কাছে অনলাইনে বসে যাচ্ছে। ইপনা গত বছর ৩০ এপ্রিল থেকে অনলাইন স্কুল কার্যক্রম শুরু করে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইপনার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহীন আখতার। ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর ডা. মাজহারুল মান্নানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ইপনার উপ-পরিচালক (একাডেমিক) ডা. কানিজ ফাতেমা। অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন বিশেষ শিশুর অভিভাবক মোর্শেদ ফারজানা হায়দার এবং মো. সামছুল আলম।
