দুর্ভোগে দিনাজপুরের হাজারো বাসিন্দা
স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর
দিনাজপুর সদর এবং চিরিরবন্দর উপজেলার মধ্যে প্রবাহিত আত্রাই নদী পারাপারে বর্ষায় নৌকা আর শুষ্ক মৌসুমে বাঁশের সাঁকোই ভরসা হাজার হাজার মানুষের। সদরের বুড়ির হাট-চিরিরবন্দরের সাইতাড়ার মধ্যে নদীর ঘাটের আশপাশের হাজারো মানুষের ভোগান্তি বর্ষায় যেমন, শুষ্ক মৌসুমেও তেমন। ঐসব এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি সেতুর।
নদীর ঘাটের পাশে বসে বুড়ির হাট। এছাড়াও নদীর দুই পাড়ে রানীগঞ্জসহ কয়েকটি হাট-বাজার বসে। বুড়ির হাটের পাশে নদীর ঘাট ব্যবহার করে দিনাজপুর সদরের হরিরামপুর, ঝানঝিরা, পূর্ববীরগাঁ, পারগাঁ, মাধবপুর, রানীগঞ্জ ও চাঁদগঞ্জসহ ১০ গ্রাম এবং ওপারের চিরিরবন্দর উপজেলার খোচনা, শংকরপুর, ওকরাবাড়ী, সাইতাড়া, ঘণ্টাঘর ও বারলবাজারসহ ১০ গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। এছাড়াও এই ঘাট দিয়ে নদী পারাপার হয় পার্বতীপুর উপজেলার কয়েক গ্রামের মানুষ।
সাইতাড়া ইউপির চাষি সুমনসহ অনেকে জানান, আমাদের দুর্ভোগ ছাড়ে না। উভয় দিকের বিভিন্ন গ্রামের কৃষকের উত্পাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে নদী পারাপারে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। আবার বাজার মূল্য না পাওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হয় কৃষকরা। দিনাজপুরের ফাজিলপুর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বর হবিবর রহমান জানান, প্রতিবার বন্যার সময় নৌকা কিংবা শুষ্ক মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আমাদের ইউপি এলজিইডিকে জানিয়েছে, এখানে একটি সেতু করার জন্য। কিন্তু সাড়া পাওয়া যায়নি। সাইতাঁরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন জানান, আত্রাই নদীর ওপরে একটি সেতুর ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এলজিইডি কার্যালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। এলজিইডি, চিরিরবন্দরের উপজেলা প্রকৌশলী ফারুক হাসান জানান, আগামী জুলাই মাসের বাজেটে এই সেতুটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
