কাজী নাবিল আহমেদ
স্পোর্টস রিপোর্টার
ফুটবল মাঠে স্পট ফিক্সিং হয়েছে এ কথা নাকি বাফুফে অনেক আগে থেকে জানত এবং কাজও করে আসছিল। এএফসি যখন স্পট ফিক্সিং নিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে তখন বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হয় বাফুফের অন্দর মহলে। বাফুফের একাধিক সূত্রের দাবি আমরা অনেক আগে থেকেই এটা নিয়ে কাজ করে আসছি। কারণ আমরা শুনেছি কিছু একটা হচ্ছে। দুই ক্লাবের ম্যাচ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছে। বলা হচ্ছে, বেটিংয়ের ধরন দেখে সন্দেহ করা হয়। বাফুফের সূত্র বলছে, আমরা সন্দেহ করছি বেটিং হয়েছে খেলায়।
ব্রাদার্সের ফুটবল ম্যানেজার যেমন বলছিলেন যে, শুধু তারা কেন সন্দেহের মধ্যে পড়বেন। আমাদের বিপক্ষে যারা খেলেছে তারা কেন চিঠি পাবে না।’
এটি নিয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈমকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি জবাবে বলেছেন, ‘এএফসি দুই ক্লাবের নাম দিয়েছে। অন্যদের কথা বলা হয়নি তাই আমরা চিঠি দেইনি।’
ব্রাদার্স কিংবা বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ যেটাই বলুন না কেন, আবাহনী চায় ফুটবল যেন এভাবে ধ্বংস না হয়। ব্রাদার্স এবং আরামবাগের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের মধ্যে আবাহনীর দুটি ম্যাচ রয়েছে। একটি ব্রাদার্সের বিপক্ষে অন্যটি আরামবাগের বিপক্ষে। দুই ম্যাচেই আবাহনী জিতেছে। স্পট ফিক্সিং, বেটিং কিংবা পাতানো খেলার অভিযোগ যেটাই হোক তা খুঁজে বের করার কথা বলেছেন আবাহনীর ভারপ্রাপ্ত ডাইরেক্টর ইনচার্জ কাজী নাবিল আহমেদ। তিনি গতকাল ইত্তেফাককে জানিয়েছেন, পাতানো হোক, বেটিং হোক এটি খুঁজে বের করতে হবে। এ ধরনের কাজ হয়ে থাকলে খুবই খারাপ। এটি ফুটবলের জন্য খুবই খারাপ খবর।’ নাবিল বলেন, ‘এটির মূলোত্পাটন করতে হবে।’
