কানাডায় যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, অটোয়া, টরন্টো, মন্ট্রিয়ল, ভ্যাংকুভার, সাস কাচুয়ান, ম্যানিটোবায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা দিবসটি পালন করে। শনিবার ও রবিবার দুই দিন বিভিন্ন সংগঠন ভার্চুয়ালি গান, কবিতা, আলোচনা, একুশের সংকলন প্রকাশ, বইমেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নানান কর্মসূচি হাতে নেয়।
এদিকে অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ভাষা শহিদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে নীরবতা পালন, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাণী পাঠ, শহিদ দিবসের তাত্পর্য তুলে ধরে আলোচনা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান ইত্তেফাককে জানান যে, এই কর্মসূচি ছাড়াও রয়েছে দূতাবাসের একটি বিশেষ ভার্চুয়াল আলোচনা পর্ব। যাতে অংশ নেবেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অন্যতম রূপকার আব্দুস সালাম, কবি আসাদ চৌধুরী, কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপের চেয়ারপারসন এমপি নাথানিয়েল স্মিথ, অন্টারিও পার্লামেন্টের এমপি ডলি বেগম।
চলমান লক ডাউনের কারণে এবার কানাডার টরন্টোতে নির্মিত স্থায়ী শহিদ মিনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে না। ফলে এবার ২১ ফেব্রুয়ারিতে টরন্টো প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখানে ভাষাশহিদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেনি। এই শহিদ মিনারের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। কিন্তু তুষারপাতের কারণে তা ঢেকে রাখা
হয়েছে। অপর দিকে ম্যানিটোবায় আরেকটি শহিদ মিনারে কাজ চলছে।
