গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নের বড়শিবা গ্রামে পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মামলায় হাসিনা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আরেক আসামি কাশেমকে (৪৫) এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। শনিবার রাতে হাসিনা বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গত শনিবার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি কাশেমকে পুলিশ গ্রেফতার করে হাতকড়া পরানোর সময় ঐ বাড়ির নারী-পুরুষরা একত্রিত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে অতির্কিত হামলা চালায়। তারা পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। একই সঙ্গে সুপারি কাটার যন্ত্র দিয়ে এএসআই সুমনের মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায় কাশেম। আহত পুলিশ সদস্যদের পরে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত এএসআই সুমন চিকিত্সাধীন রয়েছেন। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে এএসআই সুমন বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় কাশেম বেপারী ও হাসিনা বেগমকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামোল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভোলার চরফ্যাশনের একটি জিআর-২৫৬-৯৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি কাশেম দীর্ঘদিন ধরে গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নের বড়শিবা গ্রামে অবস্থান করছে এই খবরে পুলিশ অভিযান চালায়। শনিবার বিকালের দিকে কাশেমকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। এ সময় কাশেমের বাড়ির নারী-পুরুষ ডাক-চিত্কার দিয়ে সবাই একত্রিত হয়। পুলিশ কিছু বুঝে ওঠার আগেই মরিচের গুঁড়া নিয়ে ছুটে এসে হাসিনা বেগম গলাচিপা থানার এএসআই সুমনসহ অন্য সদস্যদের চোখে ছিটিয়ে দেয়। এ সময় জড়ো হওয়া ১০-১২ জন মিলে পুিলশ সদস্যদের এলাপাতাড়ি পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। এ সময় কাশেম সুপারি কাটার যন্ত্র দিয়ে এএসআই সুমনের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়।
