শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জানানোর সন্ধ্যা ছিল!

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:৪৬

তারিফ সৈয়দ

 

বিষয়টি কী শুধুই একই বইয়ের প্রকাশনা ছিল? মোটেই তা নয়। হয়তো শুধু উপলক্ষ ছিল এটি একটি মহোত্সবের। কিন্তু সংস্কৃতি জগতের এই মহীরূহকে শ্রদ্ধা জানাতেই দীর্ঘদিনের করোনাবন্দি মন যেন তারকাঢলে রূপান্তর হলো গত ২২ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানে। এক কিংবদন্তী হলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে ঘিরেই ছিল আয়োজন। এদিন ছিল তার জন্মদিন আর নিজের রেকর্ডসংখ্যক জনপ্রিয় গানের কিছুটা নিয়ে ‘অল্প কথার গল্প গান’ সিক্যুয়েল বইয়ের প্রকাশনা। নিউ নরমাল এই জীবনে শহরে যখন ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে তখন তারকারাও নিজেদের স্বাচ্ছন্দে কাজ আর সম্মিলনে ফিরছেন।

অন্যদিকে গাজী মাজহারুল আনোয়ার এমনই একটি নাম, যার এদেশে চলচ্চিত্র, গান থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে সমান পদচারণা। তাই দেশের সর্বক্ষেত্রের তারকারা যেন অগ্রজ বা সহোদরকে একটু শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে এসেছিলেন।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য সাফি চৌধুরী, চিত্রনায়ক উজ্জ্বল, ইলিয়াস কাঞ্চন, ওমরসানী, বাপ্পারাজ, শাকিব খান, অনন্ত, সম্রাট, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস,  প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী, অভিনেত্রী তারিন জাহান, সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী, লিনু বিল্লাহ, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, কুমার বিশ্বজিত্, রুমানা ইসলাম, কনকচাঁপা, আসিফ আকবর, আঁখি আলমগীর, দিনাত জাহান মুন্নী, সোহেল মেহেদী, মুহিন, ইউসুফ, সাব্বির, রাশেদ, লুইপা, হৈমন্তী, মোমিন বিশ্বাস, কোনাল, বনি, সংগীত পরিচালক আলম খান, মইনুল ইসলাম খান, ফোয়াদ নাসের বাবু, ফরিদ আহমেদ, মিল্টন খন্দকার, জাভেদ আহমেদ কিসলু, ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা, র্যাম্প তারকা টুম্পা, গীতিকার কবির বকুল’সহ আরো অনেকে। দেবাশীষ বিশ্বাস-শান্তা জাহানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠান শুরু হয় রাত ৮টায় দিঠির ছেলে আদিয়ানের পিয়ানোতে তারই নানা গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গান দিয়ে। এর পরপরই মঞ্চে উঠে এসে উপলের মেয়ে আরশিয়া দাদার লেখা ‘সারেগামাপাধা, আমার দাদী দাদা’ গানটি গেয়ে শোনায়। এরপর খন্দকার মনিরুল ইসলামের প্রকাশনা সংস্থা ‘ভাষাচিত্র’ থেকে প্রকাশিত ‘অল্প কথার গল্প গান’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয় উপল-দিঠির মা জোহরা গাজী’সহ সবার উপস্থিতিতে। অশ্রুসিক্ত গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘আমার ছেলেমেয়ের স্বপ্ন পূরণ হলো এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে। তাদের চোখ-মুখে আনন্দের যে রেশ দেখেছি তা আমাকে কতটা যে আনন্দ দিয়েছে তা ভাষায় প্রকাশের নয়। আমি বা আমার ছেলেমেয়ে যাদেরই নিমন্ত্রণ করেছিলাম তারা প্রত্যেকেই বলা চলে এসেছিলেন এবং আমাকে শুভকামনা জানিয়ে গেছেন। আমি তাদের প্রতি ঋণী।’