বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা
যত্রতত্র পার্কিংয়ের কারণে উপজেলা সদরের ভবানীগঞ্জ বাজারে যানজট লেগেই আছে। এছাড়া ফুটপাথ দখল করে দোকান বসানো, রাস্তার ওপর মালামাল রাখা ও হাটের দিন রাস্তা দখল করে ট্রাক থামিয়ে মালামাল লোড-আনলোড করার কারণে নিত্য যানজট লেগেই থাকে গোটা বাজারে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পথচারী, স্কুল শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।
পথচারী বেলাল উদ্দিন ও আমিনুল হক জানান, রাস্তার ওপর যত্রতত্র পার্কিং, রাস্তা ও ফুটপাথ দখল করে দোকান স্থাপন এবং রাস্তা ও ফুটপাথে মালামাল রাখায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। বাজারের রাস্তা একেবারে কম। তার ওপর এই রাস্তার দুই পাশে ভ্যান, মোটরসাইকেল, অটো চার্জার, পিকআপ, শ্যালো গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন পার্কিং করা ও এসব যানবাহন থেকে মালামাল ওঠানামা করায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগেইে থাকছে। সিএনজি চালক রেজাউল, কুদ্দুস ও ভ্যানচালক আতাউর জানান, আমাদের গাড়ি রাখার কোথাও কোনো জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়েই রাস্তার পাশে গাড়ি রাখছি। অথচ এই বাজারে গাড়ি প্রবেশ করার সময় পৌর ট্যাক্স দিতে হয়। তারপরও আমরা কোনো সুবিধা পাচ্ছি না। ভবানীগঞ্জ বাজারের নিত্য যানজটের সত্যতা স্বীকার করে থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ জানান, আটোরিকশার অনুমতি দেয় পৌরকর্তৃপক্ষ। আর গাড়ি পার্কিংয়ের বিষয়টিও দেখভাল করে তারাই। তারপরও এসব যানজটের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ জানান, পৌর মেয়রের সঙ্গে আলোচনা করে যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে ভবানীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী লিটন মিয়া বলেন, ভ্যান, সিএনজি ও আটোরিকশার স্ট্যান্ডের জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে। অচিরেই আমরা ঐ সব গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য জায়গা নির্ধারণ করে দেব। পৌর মেয়র আব্দুল মালেক মন্ডল প্রায় একই মন্তব্য করে বলেন, ‘এখানে জায়গার বড় সমস্যা। তারপরও সীমিত জায়গায় মাস্টার প্ল্যান করে অচিরেই কাজ শুরু করব। আশা করি, চলতি বছরের মধ্যেই ভবানীগঞ্জ বাজারকে আরো সুন্দর ও যানজট মুক্ত করা সম্ভব হবে।
