পানিসম্পদ রক্ষায় প্রযুক্তি নির্ভর সমাধান চালু

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:১০

মোজাহেদুল ইসলাম ঢেউ

 

তরুণদের সম্পৃক্ত করে পানিসমপদ রক্ষায় প্রযুক্তি নির্ভর সমাধানে বাংলাদেশ ওয়াটার মাল্টি-স্টেকহোল্ডারস পার্টনারশীপ (বিডব্লিউএমএসপি) এর ০৭ সদস্য মিলে চালু করেছে ওয়াটার ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ কম্পিটিশন-২০২১ (ডব্লিউআইসিসি)। এটুআই-এসপায়ার টু ইনোভেট, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা ওয়াসা, ২০৩০ ওয়াটার রিসোর্স গ্রুপ (২০৩০ ডব্লিউআরজি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এবং ইউনিলিভার পিওরইট যৌথভাবে এই প্রতিযোগিতা চালু করেছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ অনলাইনে আয়োজিত ‘ওয়াটার ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ কম্পিটিশন-২০২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হয়ে উক্ত প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন পানিসমপদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসমপদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেন, ইনোভেশন শব্দটি সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। আমাদের আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ ও ২০৩০ ওয়াটার গ্রুপ গঠনসহ এমন আরো অনেক উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে পানিসমপদ মন্ত্রণালয়। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং আমরা আশা করি এর মাধ্যমে সুদূরপ্রসারী ফল বয়ে আনবে ও এই ইনোভেশনের যথাযথ প্রয়োগ আমরা করতে পারব। ডেলটা প্ল্যান ঘোষণার মধ্য দিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে অভীষ্ট লক্ষ্য নিয়ে একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা আমাদের পূর্বে ছিল না। পূর্বে নদীরক্ষা বা পানিসমপদ রক্ষণাবেক্ষণে কাজ হচ্ছিল খুব অপরিকল্পিতভাবে। অপরিকল্পিত, অনিয়ন্ত্রিত মাটির গভীরের পানি উত্তোলন আবার যখন পানি ছেড়ে দিচ্ছি তখন সৃষ্টি করছি দূষণ, এই দুইভাবে আমরা পানিসম্পদ এর ক্ষতি করে যাচ্ছি।

তরুণ উদ্ভাবকদের সম্ভাব্য সমাধানগুলো সামনে নিয়ে আসার পথ সুগম করার লক্ষ্যে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগীতায় আইডিয়া জমাদান শুরু হয়েছে ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে, যা আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে। উদ্ভাবকগণ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের ওয়েবসাইট (http://challenge.gov.bd/) এর মাধ্যমে আইডিয়া জমা দিতে পারবেন। এই প্রতিযোগীতায় জমা পড়া প্রজেক্টের মূল্যায়ন ও স্ক্রিনিং চলবে ১৬ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত। এরপর বাছাইকৃত ও উপযুক্ত       সমাধানগুলোকে পরামর্শ দেয়ার জন্য একটি বুটক্যাম্পেরও আয়োজন করা হবে। বিচারক প্যানেল বাছাইকৃত সমাধানগুলো নির্বাচন করবেন।