জিরুর গোলে চেলসির জয়
স্পোর্টস ডেস্ক
লিগে গত দুই ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি বায়ার্ন মিউনিখ। এতেই কানাঘুষা শুরু হয়েছিল, ছন্দে না থাকা চ্যাম্পিয়নদের যদি ঘরের মাঠে ধরে দিতে পারে লািসও। কিন্তু কীসের কী? চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সংগীত শুনার সঙ্গে সঙ্গেই যেন আবার জেগে উঠল রবার্ট লেভান্ডভস্কিরা। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে স্বাগতিক লািসওকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। দিনের অন্য ম্যাচে অলিভিয়ের জিরুর গোলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে চেলসি।
গ্রুপ পর্বের ছন্দ নকআউটেও ধরে রাখল বায়ার্ন। রোমের অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে ম্যাচের নবম মিনিটেই লািসওর জাল খুঁজে পান লেভান্ডভস্কি। প্রতিপক্ষ রক্ষণের ভুলকে কাজে লাগিয়ে করা এই গোলটি ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লেভার ৭২তম গোল। এ গোলের ফলে এখন রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি রাউলকে সরিয়ে টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোল সংগ্রাহক হয়ে গেছেন তিনি। বায়ার্নের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেছেন ১৭ বছর বয়সি ইংলিশ মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে এখন সর্বকনিষ্ঠ ইংলিশ গোলদাতা এই মুসিয়ালাই। বায়ার্নের জার্সি গায়েও এরচেয়ে কম বয়সে কেউ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোল করেননি। ২৪ মিনিটে মুসিয়ালার গোলের পর ম্যাচের ৪২ মিনিটে জাল খুঁজে পান বায়ার্নের জার্মান উইঙ্গার লিরয় সানেও। যার ফলে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে চ্যাম্পিয়নরা। দ্বিতীয়ার্ধের দুটি গোলই করেছে লািসওর খেলোয়াড়রা। ৪৭ মিনিটে ডিফেন্ডার ফ্রান্সিসকো আচেরবি নিজেদের জালে বল জড়ানোর দুই মিনিট পর দিনে প্রথমবারের মতো বায়ার্নের জালে বল জড়াতে সক্ষম হন হুয়াকিন কোরেয়া। এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল একরকম নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছে বাভারিয়ানদের। ১৭ মার্চের ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে চার বা ততোধিক গোল না খেলেই কোয়ার্টারে পৌঁছে যাবে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। মঙ্গলবার হ্যান্সি ফ্লিকের মতো মুখে হাসি নিয়ে শেষ করেছেন আরেক জার্মান ম্যানেজারও। গত মাসে নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যানেজার টমাস টুখেলের অধীনে লিগে শুভ সূচনা করার পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও দূরন্ত সূচনা পেয়েছে চেলসি। মঙ্গলবার শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ডিয়েগো সিমিওনের অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লন্ডনের দলটি। করোনাকালীন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার জন্য রোমানিয়ার বুখারেস্টে হওয়া এই ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন চেলসির বিশ্বকাপজয়ী স্ট্রাইকার অলিভিয়ের জিরু। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে বাইসাইকেল কিকে করা জিরুর গোলটি প্রথমে অফসাইড দেখিয়ে বাতিল করা হলেও পরে ভিএআরের পরামর্শে রায় বদলায় রেফারি। কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে চাইলে ১৭ মার্চের ফিরতি লেগে একাধিক গোল করে চেলসিকে তাদের ঘরের মাঠে হারাতে হবে অ্যাটলেটিকোর। সেই ম্যাচে ড্র করলেই কোয়ার্টারে চলে যাবে টুখেলের দল।
