সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম সৌদি বাদশাহের সঙ্গে তার ফোনালাপ হলো। এতে মানবাধিকার ও ইয়েমেন যুদ্ধই গুরুত্ব পেয়েছে। তবে ইরানের হামলা থেকে সৌদি আরবের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র আগের মতোই ভূমিকা রাখবে বলে প্রেসিডেন্ট বাইডেন অঙ্গীকার করেছেন। খবর আলজাজিরার
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সৌদি বাদশাহের সঙ্গে কথা বলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এমন সময় এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হলো যখন সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট প্রকাশ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর বেরিয়েছে, রিপোর্টে খাশোগির হত্যাকাণ্ডে সৌদির কার্যত শাসক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়ী করা হচ্ছে। ফোনালাপের পর হোয়াইট হাউজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বাইডেন সৌদি আরবের নিরাপত্তা এবং ইরানের হুমকি মোকাবিলায় সহায়তা দেওয়া হবে বলে সৌদি বাদশাহকে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কীভাবে ইয়েমেন যুদ্ধের সমাপ্তি টানা যায়, সেই বিষয়ে উদ্যোগ নিতে সৌদি বাদশাহের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। দুই নেতার ফোনালাপে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার বিষয়ে অঙ্গীকার করা হয়। প্রেসিডেন্ট বাইডেন সম্প্রতি মানবাধিকার কর্মীদের মুক্তি দেওয়ায় সৌদি সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
সৌদি প্রেস এজেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি, পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সৌদি বাদশাহ ও প্রেসিডেন্ট বাইডেন সম্মত হয়েছেন। ফোনালাপের আগে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বাইডেন প্রশাসন সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরায় পর্যালোচনা করছে। অর্থাত্ আগের ট্রাম্প প্রশাসন যেভাবে সৌদি আরবকে সমর্থন দিয়েছিল সেইভাবে আর দেওয়া হবে না বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
