মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৬ শতাধিক যান। এতে দুর্ভোগে পড়েছে অপেক্ষমান যাত্রী ও চালক। আর পণ্যবাহী ট্রাক দীর্ঘলাইনে পড়ায় নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এই রিপোর্ট লেখার সময় (রাত ৮টা) প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রাকের লাইন দেখা দিয়েছে।
শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ টিআই হিলাল উদ্দিন জানান, এই রুটে গাড়ির চাপ বেড়ে গেছে। ১৫টি ফেরি যান পার করে কুলিয়ে উঠতে পারছে না। অ্যাম্বুলেন্স, কার ও যাত্রীবাহীবাসকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে প্রতিদিনই লাইন বাড়ছে। আর ছুটির দিনের কারণে গাড়ির চাপ এবং ফেরি সোয়া তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকায় সংকট বেড়েছে।
শীত চলে গেলেও ফাল্গুনের দ্বিতীয় সপ্তাহেই আকস্মিক ঘন কুয়াশায় ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল পৌনে ৮টা পর্যন্ত সব ঢাকা ছিল। কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ফেরি চলাচল আবার শুরু হলেও ঘাটে যানবাহনের ভিড় বেড়ে যায়।
এদিকে ‘শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে এখন নির্বিঘ্নে যান পারাপার হচ্ছে’ উল্লেখ করে বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার আহম্মদ আলী জানান, ছুটির দিনে দক্ষিণাঞ্চলমুখী মানুষের চাপ বেশি। এছাড়া ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানজটমুক্ত দ্রুত আসা যায়। তাই এই রুটে গাড়ির চাপ বেড়েই চলেছে। তিনি জানান, বহরের একটি ফেরি বেশকিছুদিন ধরে বিকল। তলা ফেটে যাওয়া একটি ডাম্প ফেরি ডকে পাঠানো হয়েছে। এখন ছোট বড় ১৫ ফেরি দিনরাত পারাপার করলেও কুলিয়ে উঠতে পারছে না। এছাড়া এই রুটে ৮৭ লঞ্চ, সাড়ে ৪০০ স্পিডবোট ও কয়েকশ ট্রলার যাত্রী পারাপার করে যাচ্ছে।
