সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশেই ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করা হয়। তিনিই এই অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বহুল প্রতীক্ষিত প্রতিবেদনটি গতকাল প্রকাশ করা হয়। এর একদিন আগে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। খবর সিএনএনের
রিপোর্টের মূল সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সাংবাদিক খাশোগিকে আটক কিংবা হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। রিপোর্টে গোয়েন্দারা বলেছেন, আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌছেছি এজন্য যে, দেশটিতে সিদ্ধান্ত প্রণয়নের যুবরাজই মূল ভূমিকায়। তিনি বিদেশে খাশোগিসহ ভিন্নতামতালম্বীদেরকে দমনে সহিংস পদ্ধতিও ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন। চার পৃষ্ঠার গোয়েন্দা প্রতিবেদনের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, ‘জামাল খাশোগি হত্যায় সৌদি সরকারের ভূমিকা’। গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দেওয়া হয় এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক আভরিল হেইনস ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করেন।
রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করছেন যুবরাজ। এই ধরনের অভিযান যুবরাজের অনুমোদন ছাড়া হবে তা সৌদি আরবে ভাবা যায় না। ২০১৮ সালে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ১৫ জনের একটি দল পৌছায় যে দলে যুবরাজের ঘনিষ্ঠরা ছিলেন। এর মধ্যে সাতজনই তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন যাদেরকে ‘র্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্স’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। এখন প্রেসিডেন্ট বাইডেন সৌদি আরবের ওপর কিছু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন বলে তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
