মোহামেডানের নির্বাচনে সভাপতি পদে তিন জন প্রার্থী মনোনয়ন তুলেছিলেন—সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান জেনারেল আব্দুল মুবিন (অব.), ওরিয়ন গ্রুপের মালিক ওবায়দুল করিম এবং সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। এই তিন জনের মধ্যে গতকাল মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আব্দুল মুবিন। তার সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তিনি মোহামেডানের নতুন সভাপতি হতে যাচ্ছেন। আব্দুল মুবিনের মনোনয়ন তার পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি মোহামেডান ক্লাব টেন্টে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ বি এম রিয়াজুল কবীর কাওছারের হাতে জমা দেন। রিয়াজুল কীবর কাওছার জানিয়েছেন, সভাপতি পদের জন্য তিন জন মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। এক জন জমা দিয়েছেন। নিয়ম অনুসারে মনোনয়নপত্র সঠিকভাবে পূরণ হলে আব্দুল মুবিন সভাপতি নির্বাচিত হবেন। গতকাল বিকালে যখন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়, এর কিছুক্ষণ পরই আব্দুল মুবিনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত বক্সে সংরক্ষণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
ওবায়দুল করিম একটি পদের জন্যই মনোনয়ন তুলেছিলেন। আর কাজী ফিরোজ রশিদ সভাপতি পদে মনোনয়ন তোলার সঙ্গে পরিচালক পদেও মনোনয়ন তুলেছিলেন। গতকাল তার প্রতিনিধি মোহামেডানে গিয়ে পরিচালক পদের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়। ১৬টি পরিচালক পদের জন্য ৫১টি মনোনয়নপত্র তুললেও গতকাল জমা পড়ে ২০টি। এদের মধ্যে আছেন প্রকৌশলী কবীর আহমেদ ভুঁইয়া, কাজী ফিরোজ রশীদ, হানিফ ভুঁইয়া, মোস্তাকুর রহমান, মাহবুব আনাম, গোলাম মো. আলমগীর, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এমপি, আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি, সিদ্দিকুর রহমান, দাতো ইকরামুল হক, জামাল রানা, মাসুদুজ্জামান, মোস্তফা কামাল, মিসেস খুজিস্তানুর ই নাহরিন, মইন উদ্দিন হাসান রশিদ, আবু হাসান চৌধুরী প্রিন্স, মঞ্জুর আলম, সাজেদ আদেল, কামরুন নাহার ডানা, এ জি এম সাব্বির। মোহামেডানের গুঞ্জন, ওপরের ২০ জন থেকে চার জন নাম প্রত্যাহার করবেন। সভাপতি আব্দুল মুবিনের পাশে কারা হবেন ১৬ পরিচালক, সেটা নির্ধাররিত হবে এই ২০ জনের মধ্য থেকে। শুধু তাই নয়, ২০ জনের তালিকায় থাকা ১৬ জন সবুজ সংকেত পেয়ে বিচ্ছিন্নভাবে মনোনয়ন জমা দিয়ে গেছেন। কেউ একসঙ্গে জমা দিতে না এসে ভাগ হয়ে জমা দিয়েছেন। মোহামেডান ক্লাব টেন্টে কাল বিকালে সাবেক খেলোয়াড়, সাংবাদিক, প্রার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড় ছিল। এই ভিড়ের মধ্যেই একাধিক প্রার্থীর কণ্ঠে শোনা গেছে, যাকে যাকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে তারাই জমা দিয়েছেন। বুধবার রাত ৮টায় প্রত্যাহার। ৬ মার্চ নির্বাচন।
পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র
নিয়েও জমা দেননি যারা
সাবেক ফুটবলার জাকারিয়া পিন্টু, ইমতিয়াজ সুলতান জনি, রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, তরফদার রুহুল আমীন, ছাইদ হাছান কানন, আরিফুল হক প্রিন্স, সারওয়ার হোসেন, আব্দুর রব মাহবুব, প্রতাপ শংকর হাজরা, শরীফুল আলম, এম এ সালাম, লোকমান হোসেন ভুঁইয়া, শোয়েব উদ্দীন, রাফেউজ্জামান, আব্দুল লতিফ জনি, হাজি আবু সায়েম শাহিন, ফাহাদ আহমেদ করিম, ফজলুর রহমান বাবুল, রেজাউল করিম, ডা. মো. মতিউর রহমান, ফেরদাউস জামান, আশরাফুল আলম, আরিফুল হক প্রিন্স, সঞ্জয় রায়, মমিনুল হক সাঈদ, ফারুক হাসান, চৌধুরী নাফিস সরাফত, সালমান ওবায়দুল করিম, আনোয়ারুল হক হেলাল, খন্দকার জামিল উদ্দিন, হারুনুর রশিদ ও শওকত আজীজ রাসেল।
