চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের নাম আবদুল হক মিয়া (৮৫)। সোমবার বেলা ১টায় পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
আবদুল হক কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। ঘটনাটি ঘটে গত রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার সময় উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়ার জনার কেঁওচিয়া বারিঘাটা এলাকার উকিল বাড়ির নিজ বসতঘরে । চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক পিপিএম সেবা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বাড়ির গৃহকর্মী জমির উদ্দিনকে (২৭) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে আবদুল হক মিয়া ঘুমিয়ে পড়েন। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির গৃহপরিচারিকা ও প্রহরী এসে দেখেন আবদুল হক ঘুম থেকে জেগে ওঠেননি। পরে তারা ডাকাডাকি করেও গৃহকর্তা আবদুল হকের সাড়া না পেয়ে পেছনের দরজা দিয়ে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় তারা গৃহকর্তাকে নিজ শয়ন কক্ষের খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। অন্য এক পাশে গৃহকর্মী জমির উদ্দিনকে মুখ ও দুই পা কাপড় দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়।
নিহতের ছেলে মো. মঈন উদ্দিন বলেন, বাড়িতে আমার বাবা, একজন গৃহকর্মী, একজন গৃহপরিচারিকা ও একজন দারোয়ান ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, আবদুল হকের মাথায় ও বাম হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো কিছুর মাধ্যমে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গৃহকর্মী জমির উদ্দিনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
